বিক্ষোভকারীদের খুঁজছে চীনা পুলিশ!
চীনে করোনাভাইরাস কমাতে ‘জিরো কোভিড’ নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী কিছু লোকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বেজিংয়ে বিক্ষোভে থাকা কয়েকজন বিক্ষোভকারী রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত সোমবার থেকে চীনের বাণিজ্যিক শহর সাংহাই ও রাজধানী বেজিংয়ের সড়কগুলোতে পুলিশে টহল শুরু হয়। মূলত বিক্ষোভ দমনে এ পদক্ষেপ নেয় চীন।
দুজন বিক্ষোভকারী রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা জানান, গত রোববার রাতের কার্যক্রমের জন্য লিখিত বক্তব্য দিতে মঙ্গলবারের মধ্যে থানায় যেতে ফোনে জানিয়েছে পুলিশ।
একজন ছাত্র জানান, রোববার রাতের কার্যক্রমের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাত্রদের কাছে একটি ব্যাখ্যা চেয়েছে। যদি তারা বিক্ষোভ হওয়ায় এলাকায় যায় তবে তাদের লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিক্ষোভে থাকা একজন জানান, আমরা আমাদের চ্যাট ইতিহাস দ্রুত মুছে ফেলেছি। কারণ, বিক্ষোভ সম্পর্কে কীভাবে জানা গেছে এবং সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশ প্রশ্ন করবে।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া কতজন লোককে প্রশ্ন করতে চীনা কর্তৃপক্ষ চিহ্নিত করেছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। আর কতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে তাও নিশ্চিত নয়।
বেজিংয়ের জননিরাপত্তা ব্যুরো এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেয়নি। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, আইনের নিয়মের ভেতরে থেকে অধিকার ও স্বাধীনতা চর্চা করতে দেওয়া হবে।
চীনে তিন বছর ধরে কঠোর করোনার বিধি-নিষেধ নীতির কারণে অল্প আঁচের অসন্তোষ বিক্ষোভে রূপ নেয়। সপ্তাহজুড়ে হাজার হাজার মানুষ ‘জিরো কোভিড’ নীতির বিরুদ্ধ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছিলেন।