জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের ক্ষতি মানেই আত্মহত্যা: জাতিংসংঘ
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের পাশে যুদ্ধ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের ক্ষতি মানেই আত্মহত্যা।
ইউক্রেনের পশ্চিম শহর লভিভে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিপেস তাইয়্যাব এরদোগানের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।
সতর্ক করে গুতেরেস বলেন, যেকোনো ধরনের সম্ভাব্য ক্ষতিই জাপোরিঝিয়ার জন্য আত্মহত্যা।
গত এপ্রিলের পর এটি জেলেনস্কি ও গুতেরেসের প্রথম বৈঠক।
জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে এরদোগান বলেন, কেন্দ্রটির ক্ষতি হলে আরেকটি চেরনোবলি বিপর্যয় হতে পারে।
এদিকে, জাপোরিঝজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অটোমিক এনার্জি এজেন্সির লক্ষ্যকে সমর্থন করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। টানা কয়েকদিন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ওপর রাশিয়া ও ইউক্রেনের হামলা-পাল্টা হামলার পর সেটির বিপর্যয়ের শঙ্কা ছিল।
এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অটোমিক এনার্জি এজেন্সি ও অন্যান্য সংগঠনের স্বচ্ছতা ও অবস্থার নিয়ন্ত্রণই পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
তবে আন্তর্জাতিক অটোমিক এনার্জি এজেন্সির প্যারামিটারে (নির্দিষ্ট পদ্ধতি) রাশিয়া সম্মত হয়েছে কিনা তা এখনো জানা যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সৈন্যদের প্রত্যাহার ও এর আশপাাশে সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধের পুনরাবৃত্তি করেন জেলেনস্কি।
জাপোরিঝজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে উদ্বিগ্ন তখনই বেড়েছে যখনই গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রটি হামলার পরিকল্পনার জন্য ইউক্রেন-রাশিয়া পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
ইউক্রেনে অভিযান চালানোর প্রথম দিকেই ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দখল করে রাশিয়া। এরপর কিভ ও মস্কো কেন্দ্রটি বারবার হামলার জন্য পরস্পরকে দায়ী করছে।