সংবাদমাধ্যম দ্য মিররের খবরে জানা যায়, লিকোভাকে দেয়া বাড়িটি রুশ ইস্পাত ব্যবসায়ী ওলেগ দিরপাস্কার অর্থায়ণে নির্মাণ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, জোসেফ স্ট্যালিনের আমলে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ১৯৩৬ সালে পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে চলে এসেছিলেন লিকোভা। জায়গাটি এতোটাই দূরে ও দুর্গম অঞ্চলে যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়ে যাওয়ার খবরও তারা জানতে পারেননি। পরিবারের অন্য সদস্যদের মৃত্যুর পর সেখানেই একাকী বাস করছেন লিকোভা।
.png)
এখনো খাবারের জন্য শস্য নিজেই উৎপাদন করেন এই বৃদ্ধা। দিনের অধিকাংশ সময় তিনি বাইবেল পড়ে কাটিয়ে দেন। তিনি যে বাড়িটিতে বাস করতেন সেটি বাবা ও ভাই নির্মাণ করেছিল। তবে অনেক পুরোনো বাড়ি হওয়ায় সেটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। লিকোভার স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় ওই বাড়িটিতে তার বসবাস ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছিল।
স্থানীয় কর্মকর্তারা মাঝেমাঝে আগাফায়ার খোঁজখবর নিতে যান। তেমনি এক কর্মকর্তা আলেক্সান্ডার জানান, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হনননি লিকোভা।
তিনি বলেন, কোনো ভাইরাস নয়-তিনি হচ্ছেন মোগলির মতো, যে কখনো আধুনিক সংক্রামক বা রোগবালাইয়ের শিকার হয়নি।
সত্তরের দশকে দুর্ঘটনাক্রমে এক দল সোভিয়েত ভূতত্ববিদ লিকোভাদের বাড়িটি চিহ্নিত করতে সক্ষম হন। ১৯৭৮ সালে দলটি ওই বাড়িতে যাওয়ার পর মারা যায় লিকোভার বাবা ও ভাই। এই দলেরই এক সদস্যের ছেলে নিকোলাই সিদভ। তিনি প্রতিবছর শীতকালে লিকোভাকে কাছে সাহায্য পাঠান।