ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

এবার অনলাইন ওষুধ ব্যবসায় আম্বানির রিলায়েন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:১৪, ১৯ আগস্ট ২০২০
এবার অনলাইন ওষুধ ব্যবসায় আম্বানির রিলায়েন্স
ছবি: সংগৃহীত

অ্যামাজনের সঙ্গে টক্কর দিতে এ বার ই-ফার্মেসির দুনিয়ায় পা রেখেছে মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স। ৬২০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভাইটালিক হেলথকেয়ার সংস্থার ৬০ শতাংশ শেয়ার কিনেছে তারা। ফলে ভাইটালিকের ৩ সংস্থা ট্রেসারা হেলথ প্রাইভেট লিমিটেড, নেটমেডস মার্কেট প্লেস লিমিটেড এবং ডাঢা ফার্মা ডিসট্রিবিউশন প্রাইভেট লিমিটেডের ১০০ শতাংশ মালিকানা পেয়েছে রিলায়েন্স।

মঙ্গলবার রাতে নেটমেডসে বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে রিলায়েন্স রিটেল ভেঞ্চার্স লিমিটেড (আরআরভিএল)।

সংস্থাটির ডিরেক্টর ইশা আম্বানি জানান, প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে ডিজিটাল পরিষেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা। তাই নতুন এই বিনিয়োগ করেছি। নেডমেডসের অন্তর্ভুক্তিতে রিলায়েন্সের অবস্থান আরো বেশি মজবুত হয়েছে। ফলে দেশবাসীকে সাধ্যের মধ্যে উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারবো আমরা। এর মাধ্যমে গ্রাহকের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হবে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে নেটমেডসের যাত্রা শুরু হয়। ভাইটালিক ও তার সংস্থাগুলো নেটমেডস নামেই পরিচিত। লাইসেন্স প্রাপ্ত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি ওষুধ ও হেলথকেয়ার সামগ্রী পৌঁছে দেয় তারা। নেটমেডসের ওয়েব পোর্টাল এবং অ্যাপের মাধ্যমে ডাক্তার এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যায়। কিন্তু অনলাইন ওষুধ সরবরাহে লাভের অংশ তুলনামূলক কম। ফলে গত এক বছর ধরে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলো সংস্থাটি। নতুন বিনিয়োগকারীর খোঁজ করছিলো তারা।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এই মুহূর্তে অনলাইন কেনাকাটার দিকেই বেশি ঝুঁকেছেন সাধারণ জনগণ। ফলে গত কয়েক মাসে ই-কমার্স সংস্থাগুলো অনেক লাভবান হয়েছে। অনলাইনে গ্রাহকদের চাহিদার ফলে অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট অধীনস্থ ফ্লিপকার্ট, রিলায়েন্স এর জিয়োমার্ট এবং অন্যান্য সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও বেড়েছে।

ভারতে অনলাইনে ওষুধ বিক্রি বা ই-ফার্মেসি নিয়ে  এখন পর্যন্ত কোনো আইন চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে ই-ফার্মেসির বাজারে মেডলাইফ, নেটমেডস, ফার্মইজি-র টেমাসেক, সেকোয়া ক্যাপিটালের ওয়ানএমজি-র মতো সংস্থার ওষুধের চাহিদার কারণে ওষুধের দোকানগুলো সংকটে পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

এদিকে, ই-ফার্মেসি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, ওষুধের দোকানে তবু প্রেসক্রিপশন দেখিয়েই ওষুধ কিনতে হয়। ই-ফার্মেসিগুলোতে এ ধরণের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। ফলে সঠিকভাবে যাচাই না করেই ওষুধ কিনতে হবে গ্রাহকদের।

সূত্র- ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএফ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!