ওই নারী জানিয়েছেন, আমার স্বামী, যে এখন জেলে রয়েছে। ঈদের অনুষ্ঠানের জন্য নতুন কুর্তা ও পায়জামা কিনে দেয়ার কথা বলেছিল সে। কিন্তু হাতে টাকা না থাকায় আমি তাকে নতুন জামাকাপড় এনে দিতে পারিনি।
এই নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তারপরই সে আমায় তিন তালাক দেয়। এরপর আমার পরিবারের দুজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান না করে, তাদের সামনে ফের তিন তালাক দেয় আমায়।
.png)
তিনি আরো জানান, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকায় ২০১৪ সালে তার স্বামীর জেল হয়।
সিনিয়র পুলিশ অফিসার বিপিন তাদা জানিয়েছেন, মুর্শিদার অভিযোগ দায়েরের পরই তার স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান, মুসলিম মহিলা আইনের ধারা অনুযায়ী একটি মামলা রজ্জু হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
এই জেলা থেকে এখনও পর্যন্ত তিন তালাক সংক্রান্ত ৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের তিন বছরের জেল হতে পারে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস