ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি আগামীকাল

সাঈদ চৌধুরী, চুয়েট
প্রকাশিত: ১৪:৩৩, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১
চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি আগামীকাল
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ১ম বর্ষের দ্বিতীয় দফার ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে আগামীকাল সোমবার (২০ ডিসেম্বর)। 

এদিন সকাল ১০টা হতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। ২০ ডিসেম্বর ‘ক’ গ্রুপে মেধাতালিকার ৩০৮১-৪৫০০ পর্যন্ত এবং ‘খ’ গ্রুপে মেধাতালিকার ১০১-৩০০ পর্যন্ত ডাকা হয়েছে।

তারা ঐদিন সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিরীক্ষা কমিটির নিকট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করবে। এর পরদিন ডিপার্টমেন্ট বরাদ্দের লিস্ট দেখে ২১ ডিসেম্বর ভর্তি হতে পারবে। ভর্তি না হলে ঐ সিট খালি হবে, পরে আর সুযোগ থাকবে না। ঐদিন ভর্তির পর সিট খালি থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী কলের জন্য আবার একটি নোটিশ দেয়া হবে।

এর আগের প্রথম ধাপের ভর্তির জন্য ‘ক’ গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) প্রথম ৩ হাজার ৮০ জনকে এবং ‘খ’ গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ) প্রথম ১০০ জনকে ভর্তির জন্য আহ্বান করা হয়েছিলো।

উক্ত মেরিট রেঞ্জে ‘ক’ গ্রুপে মেধাতালিকার ২০৯০ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে মেধাতালিকার ০৮জনের জন্য ডিপার্টমেন্ট বরাদ্দের লিস্ট দেয়া হয়। তন্মধ্যে ‘ক’ গ্রুপে ২০৬৫ জন ও ‘খ’ গ্রুপে ৮ জন ভর্তি হয়েছিলো।

আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে দ্বিতীয় ধাপের ভর্তির জন্য মেধা তালিকার ক্রম ৬ ডিসেম্বর (সোমবার) রাতে প্রকাশ করা হয়। তাদের (‘ক’ গ্রুপ ৩০৮১-৪৫০০ ও ‘খ’ গ্রুপ ১০১-৩০০) ভর্তি কার্যক্রম আগামীকাল (২০ ডিসেম্বর)  শুরু হবে।

করোনা মহামারির কারণে এবছর চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট তাদের স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করে। গত ১৩ নভেম্বর একযোগে স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উক্ত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘ক’ গ্রুপে মোট ২২ হাজার ৬১০ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে মোট ৩ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে গত ১৮ নভেম্বর এ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে ‘ক’ গ্রুপে মোট ১৪ হাজার ৯৮৯ জনের এবং ‘খ’ গ্রুপে মোট ১ হাজার ৬৫৬ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, এবার চুয়েটের ৯০১টি, কুয়েটের ১০৬৫টি এবং রুয়েটের ১২৩৫টি মিলিয়ে, মোট ৩২০১টি (স্থাপত্যসহ) আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা যেকোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেয়। শিক্ষার্থীরা যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, তাকে ঐ বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ভর্তি হতে পারবে যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!