ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৩০, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ২ জন গ্রেপ্তার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজ (৩৯) এবং তার সহযোগী ইব্রাহীম গাজীকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬ ।

গ্রেপ্তারকৃত মিরাজ খুলনা সদর থানার হাজী মহসিন রোড এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। ইব্রাহীম গাজী একই থানার সরকারপাড়া টুটপাড়া এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর)  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার কলাবাগান ও সদর থানার টুটপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৬ এর অধিনায়ক  লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ  এতথ্য নিশ্চিত করেছে।

এসআরবি-৬  তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর খুলনা মহানগরীর সদর থানাধীন কলেজিয়েট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খুলনা জেলার সার্কেল অফিসে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম রিকশায় করে পুলিশ ক্লাবে যাওয়ার পথে তিন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। এ সময় তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর ধারালো চাপাতি দিয়ে দুই হাতের কবজির ওপর কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

পরে খুলনা সদর থানা ও সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার হাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় খুলনা জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আওয়াল হোসেন বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

গ্রেপ্তার মিরাজের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) আড়ংঘাটা ও সদর থানায় গুরুতর আঘাত, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। ইব্রাহীম গাজীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

সংস্থাটির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন এ ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!