আজমুল হত্যা মামলার আরেক আসামি আসিফ গ্রেফতার
খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজমুল হোসেন হত্যা মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বর এলাকা থেকে শেখ আসিফ হোসেনকে (২৮) গ্রেফতার করা হয়।
.png)
শেখ আসিফ খুলনার পাইকগাছা থানার সনাতনকাটি এলাকার শেখ মিরাজের ছেলে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-৬ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। এসআরবি-৬-এর স্পেশাল কোম্পানি ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
এ নিয়ে আজমুল হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হলো। এর আগে মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল ও পিরোজপুরে অভিযান চালিয়ে প্রতাপ সরকার (২৮), তারেক হাসান ওরফে রুবেল (৩৫) এবং মো. হাসনাত হাবিব রিফাত (৩০)কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার চারজনের মধ্যে রিফাত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আদালতে বিচারক মো. ইব্রাহিম খলিলের সামনে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য, জবানবন্দিতে রিফাত নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও ১২ থেকে ১৩ জনের নাম জানিয়েছেন। তাদের পরিচয় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হচ্ছে না।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন জানান, রিফাতের দেওয়া তথ্য যাচাই করে অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের বিপরীতে মসজিদ গলির একটি ভবনে আজমুল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রাতে মেসে মিল না দিয়ে ভাত খাওয়ার অপরাধে পেটানো হয় আজমুলকে একই সঙ্গে তার চুল কেটে দেওয়া হয়। এ সময় নাজমুলের বাবার কাছে ফোনে ১ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়া হয়। মারধরের পর ভবনের চতুর্থ তলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে-এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থী সহ অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৭ ও ১৯ ব্যাচের রবিন ও মবিন, গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের সাগর এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওবায়দুল।