নিহত মোহাম্মদ আলমগীর ওই গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে। এ সময় তার স্ত্রী আসমা আক্তার (৩৫) ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসাধীন আছমা আক্তার জানান, ঘটনার দিন রাত ১টার দিকে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে নিজ ঘরে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় ৫-৬ জন বোরকা পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত কৌশলে টিনশেড ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে আলমগীরের পেটে ছুরিকাঘাত করে। বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রীকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন টের পেয়ে আলমগীরকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠায়। স্ত্রী আছমা ঢামেকে চিকিৎসাধীন। এ সময় দুর্বৃত্তরা সামনে পেয়ে কোনো জিনিসপত্র নেয়নি বলে আছমা জানান।
আড়াইহাজার থানার ওসি মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ বলেন, নিহতের সঙ্গে কারো পূর্ব শত্রুতা ছিল কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।