জানা যায়, গত ৮ মার্চ সদর উপজেলার ৫ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের আলগী পাঁচগাঁও এলাকার খান বাড়ির খোরশেদ আলম খানের একমাত্র ছেলে ইবাদ খানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কোড়ালিয়া এলাকার এক নারীর বিয়ে হয়। বাসর ঘরে স্বামী ইবাদকে কাছে আসতে দেননি নববধূ। যা পরদিন সকালেই তার মাকে জানান ইবাদ। সব ঠিক হয়ে যাবে বলে ইবাদকে ধৈর্য ধরে থাকতে বলেন তার মা। কিন্তু একই ঘটনা ঘটে পরবর্তী দিনগুলোতেও। সোমবার নববধূর স্বামীর বাড়িতে আসার কথা থাকলেও তিনি অসুস্থতার দাবি করে পরদিন মঙ্গলবার আসবে বলে জানান। কিন্তু সোমবার রাতেই তিনি একটি চিঠি লিখে তার প্রেমিকার কাছে চলে যান।
এ খবর পেয়ে ইবাদ মঙ্গলবার তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মা-বাবাকে বিষয়টি অবগত করেন। ওইদিন বিকেলেই ইবাদের বাবা খোরশেদ আলম খান ও মা সুলতানা বেগম তার শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে বেয়াইকে থানায় অভিযোগ করতে বলেন ইবাদের বাবা। এ সময় ইবাদ অন্য কক্ষে ছিলেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে হঠাৎ কিছু চেঁচামেচির শব্দ শুনতে গিয়ে স্বজনরা দেখেন ইবাদ বিষ খেয়ে চটপট করছেন।
.png)
সুলতানা বেগম জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই ইবাদ মারা যায়।