ঢাকা,  শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

দোকান ভাগাভাগি নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্যবসায়ী বাপ্পীকে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩১, ২৭ মে ২০২৩
দোকান ভাগাভাগি নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্যবসায়ী বাপ্পীকে
গ্রেফতারকৃত রাজু আহম্মেদ হাবলু, ওলি এবং খোকন

টাঙ্গাইলে মাছ ব্যবসায়ী আলী আকবর বাপ্পীকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দিঘুলিয়ার নূরু মিয়ার ছেলে রাজু আহম্মেদ হাবলু, একই এলাকার ঝন্টু বেপারীর ছেলে খোকন এবং শহীদ বেপারীর ছেলে ওলি। গ্রেফতারকৃত তিনজন মাছ ব্যবসায়ী বাপ্পীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে, গত ২৩ মে রাতে দিঘুলিয়া এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দিঘুলিয়ার দেলোয়ার বেপারীর ছেলে বাপ্পীকে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ওলি ও খোকনকে গত শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়। এছাড়া রাজু আহম্মেদ হাবলুকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মেস্কে জান্নাত রিপা ঐ তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, এ হত্যাকাণ্ডের পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী বাপ্পীর মাছের দোকান ভাগাভাগি নিয়ে তার ব্যবসায়িক পার্টনার গ্রেফতারকৃত খোকন ও ওলির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। পরে দোকান ভাগাভাগি নিয়ে রাজু আহম্মেদ হাবলু, খোকন ও ওলি মিলে বাপ্পীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী হাবলু নারী সংক্রান্ত বিষয় আর টাকার লোভ দেখিয়ে বাপ্পীকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন।

এ সময় দিঘুলিয়া ব্রিজের পাশের একটি বটগাছে বসে খোকন ও ওলি অপেক্ষায় ছিলেন। বাপ্পী আসামাত্র খোকন প্রথমে ধারালো দা দিয়ে বাপ্পীকে আঘাত করেন। পরে বাপ্পী প্রাণ বাঁচাতে দিঘুলিয়ার শহিদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে গেলে সেখানে পুনরায় তার উপর হামলা চালান হাবলু, ওলি ও খোকন। পরে তিনজন মিলে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

ওসি আরও জানান, ক্লু-লেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও সোর্স ব্যবহার করে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত একটি দা উদ্ধার করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!