গ্রামের বাড়িতে রাবি শিক্ষার্থী শাহরিয়ারের লাশ দাফন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হলের তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে মারা যাওয়া মার্কেটিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র গোলাম মুস্তাক শাহরিয়ারের লাশ গ্রামের দিনাজপুরে দাদা-দাদির কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের বেতুরা গ্রামের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
এর আগে রাজশাহী থেকে একটি লাশবাহী গাড়িতে রাবি শিক্ষার্থী গোলাম মুস্তাক শাহরিয়ারের লাশ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার নিজ গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের বেতুরা গ্রামে পৌঁছে।
শাহরিয়ারি লাশ গ্রামের বাড়ি ভিতরে পৌঁছলে আশপাশের শত শত নারী পুরুষ শেষবারে দেখার জন্য তার গ্রামের বাড়িতে ভিড় জমায় পরে শেষবারের দেখার পর বিকাল চারটা ৩০ মিনিটে তার লাশ দ্বিতীয়বারের মতো স্থানীয় আব্দুল আজিজের চাতালে জানাজা হয়।
বিরল সেন্ট্রাল মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানাজায় নামাজে ইমামতি করেন।
জানাজা শেষে শাহরিয়ারের নিজ বাড়ির পাশেই পারিবারিক কবরস্থানে দাদা দাদির কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়।
শাহরিয়ার লাশের সাথে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষক তার গ্রামের বাড়িতে লাশের সঙ্গে এসেছেন। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন।
শাহরিয়ারের লাশ শেষবারের মতো দেখার জন্য গ্রামবাসীরা জড়ো হন। তার জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পুলিশ প্রশাসনসহ গণ্যমান্য মুসুল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাবি শিক্ষার্থী গোলাম মুস্তাক শাহরিয়ার দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের বেতুরা গ্রামের গোলাম মোস্তফার দ্বিতীয় ছেলে।
গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাবিবুর রহমান হলের ৩৫৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। একই হলের বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন। আহত গোলাম মুস্তাক শাহরিয়ারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান।