ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

পর্যটকদের আনন্দে বাধ সেধেছে বৃষ্টি-ঝড়ো বাতাস

এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন,কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১৯:০৮, ১৯ আগস্ট ২০২২
পর্যটকদের আনন্দে বাধ সেধেছে বৃষ্টি-ঝড়ো বাতাস
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কক্সবাজারে ঝড়ো বাতাস ও থেমে থেমে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। চলছে ৩নং সতর্কতা সংকেত। শুক্রবার সারাদিন দেখা মেলেনি সূর্যের। মেঘলা আকাশ ও সাগরের প্রচণ্ড গর্জনে হতাশ লাখো পর্যটক। তারা নামতে পারছেন না সৈকতে।

টানা তিনদিনের ছুটি পেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে অবকাশ যাপনে চলে আসেন কক্সবাজার। তবে বিরূপ প্রকৃতি যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের আনন্দ ভ্রমণে।

ঢাকার ভাসান টেকের থেকে আসা পর্যটক দম্পতি নিশিতা জোয়ার্দার ও জাফর ওয়াজেদ বলেন, আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকরিজীবী। আমাদের বিয়ে হয়েছে এখনও একমাস হয়নি। তাই তিনদিনের ছুটি পেয়ে সোজা হানিমুনে চলে এসেছি কক্সবাজারের মুক্ত বাতাস আর প্রকৃতিকে উপভোগ করতে। কিন্তু বাধ সাধে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি।

অনেক পর্যটক রুম থেকেও বের হননি। সাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্র সৈকতে উড়ছে লাল পতাকা। তাই সাগরে নামা মানা। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফ গার্ড কর্মীরা বাঁশি বাজিয়ে সতর্ক করছেন পর্যটকদের।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুজ্জামান বলেন, সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোতায়েন রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তারা পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

কক্সবাজার গেস্ট হাউজ-রেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, প্রচুর পর্যটক এখন কক্সবাজারে। তবে আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত ও মাঝারি বৃষ্টির ফলে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ পর্যটক। আবার কেউ কেউ বৃষ্টি ভেজা কক্সবাজার উপভোগ করতে বেরিয়ে পড়েছেন।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, মৌসুমি বায়ু প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানির উচ্চতা বেড়েছে দুই থেকে চার ফুট পর্যন্ত। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ মাইল। এমনি বাতাসের সাধারণ গতিবেগ ১০ থেকে ২০ মাইল। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩নং সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। সব মাছ ধরার নৌযানকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে এ অবস্থা আরো দুই থেকে তিনদিন অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!