শ্যালিকাকে ধর্ষণের দায়ে বাবু দুলাভাই জেলহাজতে
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই মোখলেছুর রহমান বাবুকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার ভোররাতে ভিকটিমের বাবা রহমত উল্যা বেপারীর দায়ের করা মামলায় বাবুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার বাবু ২ নম্বর নোয়াগাঁও ইউপির আশার কোটা গ্রামের নোয়া বাড়ির আবদুল কাদেরের ছেলে।
এর আগে গত সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউপির আকারতমা গ্রামের বেপারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাগানে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক জানাজানি হলে তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ধর্ষক বাবুকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।
জানা যায়, গ্রেফতার বাবু প্রেম করে ভিকটিমের বড় বোন রোমানা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে আছে। এরই মধ্যে সংসারে বনিবনা না হওয়ায় স্ত্রী রোমানা বাপের বাড়িতে চলে আসেন। এরই সুবাদে বাবুও শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। একপর্যায়ে তিনি শালিকাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ভিকটিম বিষয়টি পরিবারকে জানালে মঙ্গলবার রাতে রামগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় বাবুকে গ্রেফতার করে লক্ষ্মীপুর জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।
অভিযুক্ত বাবুর মা হাসিনা বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকে বাবুর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। বিয়ের ৪ বছরের মাথায় আমার ছেলেকেও তাদের বাড়িতে নিয়ে গেছে। ছেলের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। এখন কি হয়েছে সেটাও আমরা জানি না।
ভিকটিমের বাবা রহমত উল্যা বেপারী বলেন, বাবু আমার জামাই নয়। পশুর চেয়ে খারাপ তিনি। তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।
রামগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক জানান, ভিকটিমের বাবার দায়ের করা মামলায় বাবুকে গ্রেফতার করে লক্ষ্মীপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।