বরের সঙ্গে সেলফি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১
বরযাত্রীর জন্য তৈরি করা হয়েছে গেট ও বসার মঞ্চ, সাজানো হয়েছে পুরো বাড়ি। বর আসার পর যথা সময়ে শুরু হয়েছে খাওয়া দাওয়া। সব শেষে যখন বর-কনেকে একই মঞ্চে এনে বিদায় দেওয়া হবে- বিপত্তিটা বাধে তখনই।
বরের সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে কনেপক্ষের এক নারীর সঙ্গে ধাক্কা লাগায় শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক পর্যায়ে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে কনের মাসহ উভয়পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছে।
বুধবার রাতে নোয়াখালী হাতিয়ার পৌরসভার আহম্মদ মিয়া বাজারের পাশে কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কনের মা আহত কুলসুমা বেগম এখনো অচেতন। আহত বাকিরা হলেন- বর পক্ষের ইয়াসমিন আক্তার, সালমা আক্তার, বরের ভাই মো. মিরাজ, মো. মুরাদ, মো. রুবেল, কনেপক্ষের আনোয়ারা খাতুন। সবার পরিচয় জানা যায়নি। তবে আহত সবাই বর-কনের পারিবারিক আত্মীয়।
স্থানীয়রা জানায়, তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় বর-কনের। বর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. মিলন। কনে ৭নং ওয়ার্ডের রাশেদ উদ্দিনের মেয়ে রাশেদা বেগম। বুধবার কনেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য বরযাত্রী আসে কনের বাড়িতে।
বরের ভাই মিরাজ জানান, উভয়পক্ষের আন্তরিকতায় খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়। বিদায় নেয়ার সময় বর-কনেকে একই মঞ্চে আনা হয়। এ সময় নারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে কনেপক্ষের কিছু উত্তেজিত লোকজন বরপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে।
হাতিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিদারুল ইসলাম খান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে লোকজন নিয়ে কনের বাড়িতে যাই। পরে উভয়পক্ষকে শান্ত করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।
হাতিয়া থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।