বাড়তি ভাড়ায় টিকেট কেটেও মিলছে না ট্রেন, রাজশাহী স্টেশন ঘেরাও-ভাঙচুর
রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে দেওয়া হয়েছিল স্ট্যান্ডিং টিকেট। সেই ট্রেনটি যথাসময় বুধবার বিকেল ৪টায় ছেড়ে আসে ঢাকার উদ্দেশে। কিন্তু প্রায় এক হাজার যাত্রী টিকেট কেটেও ঢাকায় যেতে পারেনি। যাদের অধিকাংশই ছিলেন ঢাকা ফেরত শিক্ষার্থী। তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের স্ট্যান্ডেং টিকেট কেটেছিলেন।
এদিকে, ঢাকায় ফিরতে না পেরে শিক্ষার্থীরা স্টেশনেই বিক্ষোভ ও স্টেশনের প্রধান ফটক বন্ধ করে ভাঙচুর করেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া ওই যাত্রীদের ঢাকায় ফেরার জন্য বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা করে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে, বিকেল ৪টায় ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে তিল ধারণের জায়গাও ছিল না। ফলে অনেকে যাত্রী টিকেট কেটেও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে যেতে পারেননি। পরে ওই যাত্রীদের পরবর্তী ট্রেনে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মিহিড় কান্তি গুহ। এরপর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এছাড়া খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসে ১০৬টি আসনের একটি অতিরিক্ত কোচ লাগানো হয়েছে। সন্ধ্যার রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদীগামী কমিউটার ট্রেনে গিয়ে ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে পৌঁছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্রেনে যুক্ত হয়ে যাত্রীরা ঢাকায় যেতে পারবেন।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম মিহিড় কান্তি গুহ বলেন, রাবির পরীক্ষার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থী ট্রেনযোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজশাহীতে আসেন। পরীক্ষার শেষ দিনে তারা আবার বাড়ি ফিরতে শুরু করেন। এতেই ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে।