বরিশালে চেয়ারম্যানের অর্থ আত্মসাৎ-ভাগাভাগির ফোনালাপ ফাঁস, তদন্ত শুরু
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেবী রানি হালদারের অনিয়ম, দুর্নীতি, সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও ভাগাভাগির ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। এ ঘটনায় বেবী রানি হালদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে দায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। দুদকের বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিনের নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম এরই মধ্যে জল্লা ইউনিয়নের কারফা বাজারে চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
এছাড়া তদন্ত টিমের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহ পরিদর্শন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তার দফতর থেকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের রেকর্ড সংগ্রহ করেছেন।
বুধবার দুদকের বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমিন জানান, সরকারি প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগির ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেবী রানি হালদার ও মেম্বার দিপালী হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের হটলাইনে একাধিক অভিযোগ আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে ২৮ মার্চ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।
তিনি আরো জানান, উজিরপুরের ইউএনও প্রণতি বিশ্বাস এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা অয়ন সাহাসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।