বাড়ির পাশে শাক তুলতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর গ্রামে বাড়ির পাশে শাক তুলতে গিয়ে ১৩ বছরের এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। পুলিশ সম্রাট নামে একজনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে । এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা বাদী হয়ে মেঘনা থানায় রোববার তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার সূত্র জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে ওই কিশোরী তার আট বছরের ভাগ্নিকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে শাক তুলতে যায়। পথে মানিকারচর গ্রামের হৃদয় আহমেদ , মো. হৃদয় ও সম্রাট কিশোরীর পথ রোধ করে। সম্রাট কিশোরীর ভাগ্নির মুখ চেপে ধরে দূরে নিয়ে যায়, অন্য দুইজন কিশোরীর মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের শিকার কিশোরীর চিৎকারে তার মা ও বড় বোন এগিয়ে গেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।
কিশোরীর মা বলেন, আমরা গরিব মানুষ, স্বামী অসুস্থ। আমি ২০০ টাকা রোজে মাটি কাটার লেবার হিসেবে কাজ করি। এর আগেও অনেকবার ওরা রাস্তাঘাটে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করেছে। মান সম্মানের ভয়ে কাউকে কিছু বলিনি। মেয়ের এই সর্বনাশের উপযুক্ত বিচার চাই।
মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ বলেন, আমরা আসামি সম্রাটকে গ্রেফতার করেছি। সে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মেডিকেল চেকআপের জন্য আলামতসহ কুমিল্লা পাঠানো হয়েছে।