দ্বিতীয় স্বামীকে ফের বিয়ে, করুণ পরিণতি ফাহিমার
বগুড়ার আদমদীঘিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
নিহত গৃহবধূ ফাহিমা বেগম আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের ইয়ার্ড কলোনির আইনাল হকের মেয়ে।
বুধবার দুপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ভাই ফারুক হোসেন বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, দুই বছর আগে এই দম্পতির বিয়ে হয়। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের ইয়ার্ড কলোনি এলাকায় বসবাস করতেন। সোমবার রাতে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান স্বামী। বুধবার সকালে ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখা গৃহবধূর মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে।
ফাহিমা সাইফুলের দ্বিতীয় স্ত্রী। সাইফুলও ফাহিমার দ্বিতীয় স্বামী। তবে ফাহিমা ও সাইফুলের ডিভোর্সও হয়েছিল। সাইফুল ওই সময় ফাহিমার দেনমোহরের টাকাও পরিশোধ করে দেন। কিন্তু ডির্ভোসের পরে তাদের মধ্যে আবারো সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। মাস তিনেক আগে তারা বিয়ে করে সংসার শুরু করেন।
এক পর্যায়ে সাইফুল ইসলাম ফাহিমাকে ডির্ভোসের সময় দেয়া দেনমোহরের টাকা ফেরত চায়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ শুরু হয়। এরই জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে। স্বামী সাইফুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।