গাজীপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে শয়ন কক্ষে চাঞ্চল্যকার জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই।
নৃশংসভাবে স্বামী-স্ত্রীকে খুনের এক বছর পর বৃহম্পতিবার ভাগ্নি জামাই পলাশকে গ্রেফতার করা হয়। ভাগ্নি জামাইয়ের হাতেই খুন হয়েছিলেন আবুল কালাম ও তার স্ত্রী পুতুল।
ঘাতক মো. পলাশ পূবাইলের সাপমারা এলাকার মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে এবং আবুল কালামের ভাগ্নি জামাই।
পিবিআইয়ের গাজীপুরের এসপি মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, প্রথমে থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। পরে চাঞ্চল্যকর হিসেবে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্তের এক পর্যায়ে ভাগ্নি জামাই পলাশের নাম আসে।
বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক হাফিজুর রহমান। পরে তিনি খুন ও খুনের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করে জানায়, শাশুড়ির পৈত্রিক জমিতে ঘর করে মামা শ্বশুরের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করতেন পলাশ। তার ঘরসহ কিছু জমি মামা শ্বশুর ও মামলার বাদী খালা শাশুড়ি হেলেনা বিক্রির জন্য বায়না করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মামা শ্বশুর ও তার স্ত্রীকে খুনের পরিকল্পনা করেন পলাশ।
ঘটনার রাতে ডাক দিলে ঘরের দরজা খুলে দেন কালাম। পরে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে সহযোগীদের নিয়ে শিশু সন্তানের সামনেই স্বামী-স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খুন করে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার আদালাতে পাঠালে রাতে তিনি বিচারকের কাছে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।