সগিরা হত্যার চার্জশিটে আসামি চার

ঢাকা, বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ১৯ ১৪২৬,   ০৮ শা'বান ১৪৪১

Akash

সগিরা হত্যার চার্জশিটে আসামি চার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৫ ১৬ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:১৯ ১৬ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চারজনকে আসামি করে এবং ২৫ জনকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার এই চার্জশিট জমা দেয়া হয়। 

মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং আবাসন ব্যবসায়ী মারুফ রেজা।

ধানমন্ডিতে পিবিআই সদর দফতরে প্রেস বিফ্রিংয়ে একথা জানান পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে পিবিআই। 

তিনি জানান, কয়েকটি তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সগিরাকে হত্যা করা হয়। প্রথমেই লক্ষ্য করা হয়েছে নিহত সগিরার পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ আছে কি না। 

ডিআইজি বনজ কুমার জানান,  বিভেদের মধ্যে রয়েছে- শাহীন তার তিন তলার বাসা থেকে সগিরা মোর্শেদের রান্না ঘর ও বারান্দায় ময়লা ফেলা। শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরা-শাহীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। ‘তুমি’ বলা নিয়েও পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল।

এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে উল্লেখ করে পিবিআইয়ের প্রধান বলেন, আমরা আসামিদের সবার মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছি।

বনজ কুমার মজুমদার জানান, সগিরার কাজের মেয়ে জাহানুরকে মারধর করতেন ডা. হাসান আলী চৌধুরী। এই নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে সগিরাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয় শাহীন। আসামিদের নিয়ে রাজারবাগ বাসার তৃতীয় তলায় সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করে। ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মারুফ রেজা ও আনাস মাহমুদ প্রকাশ্য দিবালোকে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করে।

এই ঘটনায় ২৫ জন কর্মকর্তা মামলার দায়িত্ব পান। মামলা চলার সময় ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হলেও রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি কেউ।

৩০ বছর আগের সগিরা মোর্শেদ হত্যা রহস্যের জট খুলেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই বলছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সগিরা মোর্শেদকে হত্যা করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/এমআরকে/এসএএম