ঢাকা,  শনিবার   ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

শাকপাতা চাষ করেই মাসিক আয় ৮০ হাজার টাকা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:২১, ১৫ মার্চ ২০২০
শাকপাতা চাষ করেই মাসিক আয় ৮০ হাজার টাকা!
ছবি: সংগৃহীত

সালাদের শাকপাতা চাষ করেই প্রতি মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করছেন ভারতের চেন্নাইয়ের বিদ্যাধরণ নারায়ণ। বড় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া নারায়ণের সংস্থার নাম ‘শাখি মাইক্রোগ্রিনস’।

খুব বেশি দূর পড়াশোনা করতে পারেননি নারায়ণ। চাষাবাদে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। তবে চাষাবাদের প্রতি তার ঝোঁক বরাবরই ছিল। ২০১৮ সালে শাকপাতার ব্যবসা শুরু করেন বিদ্যাধরণ। সে সময় বিদ্যাধরণের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল।

২০১৪ সালে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে উথিরামেরুরে তিন লাখ টাকা দিয়ে দেড় একর জমি কিনে চাষাবাদ করতে শুরু করেন। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের একটি সংস্থা চালু করেন তিনি। নিজের সংস্থার নাম দেন ‘গ্রাসরুট ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ২০০৩’। এই সংস্থা মূলত শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করত। নিজের সংস্থা চালানোর ফাঁকেই তিনি কেনা জমিতে চাষাবাদও শুরু করেন।

Advertisement

প্রথমে পালা করে বর্ষায় ধান এবং ধান উঠে যাওয়ার পর শীতে বাদাম চাষ করতে শুরু করেন। কিন্তু বিষয়টি যতোটুকু সহজ ও লাভজনক মনে করেছিলেন, ততোটাও একেবারেই ছিল না।

বছরে ধান চাষ করে মাত্র তিন হাজার এবং বাদাম চাষ করে ২০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। আর চাষাবাদে যা পরিশ্রম এবং টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন, সেগুলো বাদ দিয়ে তার বছরে লাভ হয়েছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা।

সূর্যমুখী, গাজর, বিট, ব্রকোলি, বাঁধাকপি, আলফা-আলফা এবং সরষের চাষ শুরু করেন তিনি। ২০১৭ সালে এসব ফসলের ক্রেতাও পেয়ে যান তিনি। ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সুপারমার্কেটে সরবরাহ করতে শুরু করেন। প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁয় ১২ কেজি করে শাক সরবরাহ করতে শুরু করেন। এখন ৫০ কেজি করে সরবরাহ করেন। এখন চাহিদা বুঝে অন্য সব চাষাবাদ ছেড়ে সালাদের উপযোগী এই মাইক্রোগ্রিনস চাষ করতে শুরু করেছেন। এখন চেন্নাইয়ের বাইরেও তার ব্যবসার প্রসার ঘটেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!