দেবিদ্বারে এওয়াজ দলিল জালিয়াতির ঘটনায় মামলা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=131987 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৯ ১৪২৭,   ০৬ সফর ১৪৪২

দেবিদ্বারে এওয়াজ দলিল জালিয়াতির ঘটনায় মামলা

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫১ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কুমিল্লার দেবিদ্বারের চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাইস্কুলের চার শতাংশ জমি জাল এওয়াজ দলিল করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় সাতজনকে আসামি করা হয়। 

রোববার কুমিল্লার সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি ৪নং আদালতে এ মামলা করেন ওই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন।

মামলায় আসামিরা হলেন-জমি গ্রহীতা মো. সাইফুল ইসলাম, জাল ছবি ও স্বাক্ষর প্রদানকারী মো. গোলাম মোস্তফা মিলন, শনাক্তকারী আ. গফুর ও কাইয়ুম সরকার, জাল দলিল প্রস্তুতকারী (মহুরি) মো. রহুল আমীন, সহায়তাকারী মো. মকবুল হোসেন আকন্দ ও বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি  মো. বদিউল আলম সরকার ওরফে বদি।

মামলার নথির তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের ৫ মে গোলাম মোস্তফা মিলন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সেজে দেবিদ্বার সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ওই স্কুলের চার শতাংশ জমি এওয়াজ দলিল করা হয়। সেই দলিলে জাল স্বাক্ষর, ছবি, ভুয়া রেজুলেশন ও সিল ব্যবহার করা হয়। এতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জমি গ্রহীতা চান্দপুর রিফাত ডেইরি ফার্ম লিমিটেডের মালিক মো. সাইফুল ইসলামের এওয়াজ দলিলটি করেন। এ সময় প্রতারক চক্রের ছয় ব্যক্তি তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন।

এ নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। সম্প্রতি হাইস্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আবদুস সালাম ভূঁইয়া বিদ্যালয়ে জরুরি সভা আহবান করেন। ওই সভায় প্রতারক চক্রের কয়েকজন উপস্থিত গ্রামবাসীর কাছে মোটা অংকের টাকার বিনিমিয়ে জাল স্বাক্ষর, ছবি, ভুয়া রেজুলেশন ও সিল ব্যবহার করে জমি এওয়াজ করার কথা স্বীকার করেন।  

মামলার বাদী ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের সম্পত্তি প্রতারণা করে বিনিময় করায় চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। ওই চক্রটি গ্রামবাসীর কাছে তাদের অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জমি ফিরিয়ে আনা হবে। 

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও মামলার প্রধান সাক্ষী মো. আবদুস সালাম ভূঁইয়া জানান, ওই প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সম্পত্তির সম্পর্কে অডিট করা হবে। অডিটে অর্থ আত্মসাত প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেবিদ্বারের ইউএনও রবীন্দ্র চাকমা বলেন, প্রতারক চক্রের কাজটি খুবই নিন্দনীয়। আইনের মাধ্যমে প্রতারক চক্রটির শাস্তি হোক।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ