Alexa কাশ্মীরিদের পক্ষে হেঁটে হেঁটে লড়াই করছেন ভারতীয় অধ্যাপক

ঢাকা, বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৭ ১৪২৬,   ২৩ সফর ১৪৪১

Akash

কাশ্মীরিদের পক্ষে হেঁটে হেঁটে লড়াই করছেন ভারতীয় অধ্যাপক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:০২ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১০:০৬ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মীরিদের পক্ষে রাস্তায় হেঁটে হেঁটে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা ছোটকাগজ বিলি করছেন ৭১ বছর বয়সী ভারতীয় এক অধ্যাপক। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির(আইআইটি) ভিপিন কুমার ত্রিপাঠি নামে ওই অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তার কাগজে কাশ্মীরিদের বাস্তবতা তুলে ধরছেন। 

দক্ষিণ এশিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ এশিয়ান মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ভারত শাসিত কাশ্মীরে যখন সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের জোরালো অভিযোগ উঠছে, এ পরিস্থিতিতিতে ওই অধ্যাপক নিজের বাড়ি থেকে বহু দূর গিয়ে ওই কাগজ বিলি করছেন।

সাউথ এশিয়ান মনিটর জানিয়েছে, পদার্থবিজ্ঞানের সাবেক এই শিক্ষকের পত্রিকায় মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। এতে কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর আটক ও নির্যাতনেরও তথ্য রয়েছে। এছাড়া এক স্মারকলিপিতে ভিপিনসহ ৮২জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন। এরা এখন প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনার ব্যাপারে সাক্ষাতের অপেক্ষা করছেন।

ভিপিন জানান, এরই মধ্যে পত্রিকার ২০ হাজার কপি বিতরণ করা হয়েছে। এতে আইআইটির একশ শিক্ষক এবং ২০ জন শিক্ষার্থী তাকে সমর্থন করছেন। 

এর আগে ৫ আগস্ট (সোমবার) ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। 

এদিকে জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে একটি বিলও পাস করা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা।

এছাড়া কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর সেখানে গিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা নেতিবাচক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। স্থানীয় পত্রিকার একজন সম্পাদক সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে।এতে উপত্যকায় সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও সাংবাদিকদের গতিবিধির উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে ৭১ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ভিপিন জানান, নিজের লেখা পত্রিকা বিলি করতে গিয়ে নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর