Alexa এক সময়ের জনপ্রিয় পর্নো তারকা, এখন থাকার ঘরটাও নেই

ঢাকা, রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

এক সময়ের জনপ্রিয় পর্নো তারকা, এখন থাকার ঘরটাও নেই

বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২২ ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জেনি লি। আসল নাম স্টেফানি সাদোরা। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল ও পর্নো তারকা তিনি। একটি ওয়েবসাইটে তার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার। নীল দুনিয়া ছাড়লেও পর্নো অভিনেত্রীদের র‌্যাঙ্কিং-এ ১১৯ নম্বরে তিনি। অথচ এই অভিনেত্রীর থাকার কোনো ঘর নেই। রাত-দিন কাটছে বস্তিতে।

১৯ বছর বয়সে মডেলিং শুরু করেন জেনি লি। বেশ কয়েকটি টিভি বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন। তবে নীল ছবির দুনিয়ায় তার প্রবেশ ৩৬ বছর বয়সে। ২০১৫ সালে নিজের পেশা ছেড়ে দেন এই তারকা। নিজের পেশা থেকে জেনি লি যখন সরে দাঁড়ান তখন তাকে নিয়ে একটি জরিপ চালায় একটি সংস্থা। যেখানে তুলে ধরা হয় তার জীবনযাপনের যাপিত ঘটনা। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে আন্ডারগ্রাউন্ডের টানেলে ঠাঁই নিয়েছেন তিনি।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃষ্টি হলেই টানেলের ভেতরে পানি জমে। সেখানে মশা-মাছির প্রচণ্ড উৎপাত। এমন অবস্থাতেই মাথা গুঁজে অবস্থান করেন জেনি লি। সেখানে এই পর্নো তারকা একাই নন, তার সঙ্গে আরো প্রায় ৩০০ গৃহহীন মানুষ থাকে। ওই টানেলের বেশিরভাগ মানুষই নেশায় আসক্ত। তবে জেনি লি সে পথে পা দিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি। তবে এরই মধ্যে তিনি বেশকিছু মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন।

নেদারল্যান্ডসের একটি সংবাদভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের জন্য এ বছরের জুলাইয়ে ওই টানেলে যান একজন সাংবাদিক। তারা টানেল নেটওয়ার্ক নিয়ে ওই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করছিলেন। এ সময় তার চোখে পড়েন জেনি লি। তার সাক্ষাৎকার নেন ওই সাংবাদিক। এ নিয়ে ওই সাংবাদিক বলেছেন, পর্নো সিনেমার জগতে যে দাপুটে জেনি লি’কে দেখা গেছে, এখন তাকে দেখে চেনাই যায় না। তার শরীর ভেঙে গেছে। নেই কোনো চাকচিক্য। বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে আমি খুবই খ্যাতি পেয়েছিলাম পর্নো জগতে। হয়তো বিখ্যাতদের চেয়ে বেশি কিছু।

যুক্তরাষ্ট্রের টিনেসির ক্লার্কসভিলে জেনি লি’র মূল বাড়ি। তবে তিনি কীভাবে গৃহহীন হয়েছেন সেটা বলেননি। ওই টানেলে কীভাবে আশ্রয় নিলেন তাও জানা যায়নি। অনেক অসুবিধা থাকার পরও সুখে আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। জেনি বলেছেন, গায়ে গায়ে মিশে সেখানকার মানুষের বসবাস। তারা একে অন্যকে খুব আপন করে নিয়েছেন। এখানে সবাই একে অন্যকে সম্মান করেন। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের সম্পর্ক ভালো। আমি খুবই সুখী।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে