রূপচর্চায় এই কার্যকরী উপাদানটির ব্যবহার জানেন তো?
নিশ্চয় জানেন, প্রোটিনের অন্যতম উৎস হল ডিম। শরীরের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডিমের জুড়ি নেই। কিন্তু জানেন কি, সৌন্দর্য চর্চাতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ত্বক ও চুল পরিচর্যায় ডিম এবং ডিমের কুসুমের অভাবনীয় কিছু ব্যবহার রয়েছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ডিমের কুসুমের এমন কিছু অসাধারণ ব্যবহার-
১. ব্ল্যাকহেডসের সমস্যার সহজ সমাধান দেবে ডিমের কুসুম। একটি ব্রাশে ডিমের কুসুম লাগিয়ে নিন। তারপর ব্রাশটি নাকে লাগিয়ে একটি কাগজ দিয়ে ঢেকে দিন। প্রথম লেয়ারটি শুকিয়ে গেলে আরেকটি লেয়ার লাগিয়ে নিন। এরপর শুকিয়ে গেলে ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২. একটি ডিমের কুসুম, এক টেবিল চামচ ঘন ক্রিম এবং এক টেবিল চামচ ফ্রেশ গাজরের রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকে রক্ত চলাচল বজায় রেখে ত্বক উজ্জ্বল এবং তারুণ্যদীপ্ত করে তোলে।
.png)
৪. একটি ডিমের কুসুম, এক চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ বাদাম তেল। একটি পাত্রে সবগুলো উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিন। এমনভাবে মেশান যেন ফেনা উঠে। এরপর প্যাকটি ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ প্রবণ ত্বকের যত্নে এটি বেশ উপকারি।
৫. শুষ্ক ত্বক ময়োশ্চারাইজ ও ত্বক নরম কোমল করতে একটি ডিমের কুসুম, এক চা চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৬. এক কাপ টকদই এবং একটি ডিমের কুসুম ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি চুলে লাগিয়ে নিন এবং ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি চুল ঝলমলে সিল্কি করে তুলবে।
৫. মধু এবং ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে নখ ভিজিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডিমের কুসুম নখের ভঙ্গুরতা দূর করতে সহায়তা করে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এএ