ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ বিজ্ঞান বিস্ময় ]

আপাতত পৃথিবীতে ফেরা হচ্ছে না সুনীতার, মহাকাশে আটকা ৫১ দিন

বিজ্ঞান ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৯, ২৭ জুলাই ২০২৪
আপাতত পৃথিবীতে ফেরা হচ্ছে না সুনীতার, মহাকাশে আটকা ৫১ দিন
ফাইল ছবি

১০ দিনের মিশনে গিয়ে ৫১ দিন হয়ে গেছে, এখনও সুনীতাদের পৃথিবী ফেরার আশা নেই। বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানের ত্রুটি বেশ বড় দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছে। যদিও আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা স্টেশনে আটকে থাকা মহাকাশচারী সুনীতা এবং বুচ উইলমোর নিরাপদে রয়েছেন।

আমেরিকান স্পেস এজেন্সি নাসার এই দুই নভোচারীর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে ফিরতে এরই মধ্যে এক মাসেরও বেশি সময় দেরি হয়ে গেছে। ইঞ্জিনিয়াররা বোয়িং ‘ক্যাপসুলের’ সমস্যা সমাধান না করা পর্যন্ত উভয় মহাকাশচারীই আইএসএস-এ থাকবেন।

পরীক্ষক পাইলট বুচ উইলমোর এবং সুনিতা উইলিয়ামসের স্পেস ল্যাবে প্রায় এক সপ্তাহ থাকার কথা ছিল। সব কাজ সেরে জুনের মাঝামাঝি সময়ে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু বোয়িং-এর নতুন স্টারলাইনার ক্যাপসুলে থ্রাস্টার ত্রুটি এবং হিলিয়াম লিকের কারণে, নাসা তাদের থাকার মেয়াদ বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। যদিও কিছু সময়ের জন্য।

এ প্রসঙ্গে তথ্য দিতে গিয়ে নাসার বাণিজ্যিক ক্রু প্রোগ্রাম ম্যানেজার স্টিভ স্টিচ বলেছেন, মিশন ম্যানেজাররা ফেরার তারিখ ঘোষণা করতে এখনই প্রস্তুত নন। ইঞ্জিনিয়াররা গত সপ্তাহে নিউ মেক্সিকো মরুভূমিতে একটি অতিরিক্ত থ্রাস্টারে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। ‘ডকিং’ এর সময় কী ভুল হয়েছে তা বের করার জন্য এবং পৃথিবীতে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার জন্য অনবরত চেষ্টা করা হচ্ছে।

মহাকাশযান বোয়িং সিএসটি-১০০ স্টারলাইনার ক্যাপসুলে চড়ে গত ৫ জুন মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ওই দুই নভোচারী পাড়ি দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের উদ্দেশে। অভিযান নিয়ে উত্তেজনাও ছিল তুঙ্গে। কারণ, প্রথমত দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রস্তুতির পর এটিই বোয়িং-এর প্রথম মহাকাশচারী নিয়ে যাত্রা।

প্রসঙ্গত, ৬ জুন, প্রস্থানের একদিন পর, ক্যাপসুলটি মহাকাশ স্টেশনের কাছে যাওয়ার সময় তার পাঁচটি থ্রাস্টারে ত্রুটির চাপে পড়েছিল। এরপর থেকে চারটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। একটি এখনও গন্ডগোল করছে। স্পেস শাটল অবসর নেওয়ার পরে, নাসা মহাকাশচারীদের মহাকাশ স্টেশনে পরিবহনের জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলিকে, বোয়িং এবং স্পেসএক্স-র সঙ্গে কাজ করছে।

এটি ছিল বোয়িং-এর প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট, যার মধ্যে ক্রু ছিল। ২০১৯ সালে প্রাথমিক ডেমোতে, ফাঁকাই উড়েছিল বোয়িং, খারাপ সফটওয়্যারের কারণে এটি কখনোই স্পেস স্টেশনে পৌঁছায়নি। এরপর ২০২২ সালে বোয়িং পরীক্ষাটি পুনরাবৃত্তি করেছিল। পরে আরও সমস্যা দেখা গিয়েছিল। স্পেসএক্স ২০২০ সাল থেকে মানুষকে মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!