ঢাকা,  শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ ধর্ম ]

তালাকপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী পুনরায় ঘর বাধতে চাইলে..

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:২৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৩
তালাকপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী পুনরায় ঘর বাধতে চাইলে..
প্রতীকী ছবি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যখন চরম বিরোধ দেখা দেয়, পরস্পর মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ ও মাধুর্যমণ্ডিত জীবনযাপন যখন একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে; তখন একে-অপরকে তালাক দিতে পারে।

তবে, ইসলামের আবির্ভাবের আগে আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে নারী সমাজ ছিল সর্বাধিক নির্যাতিত, অবহেলিত এবং উপেক্ষিত। ইসলামের প্রাথমিক যুগে স্ত্রীদের প্রতি অত্যাচার নির্যাতনের লক্ষ্যে স্বামীরা তাদের স্ত্রীদেরকে বারবার তালাক দেয়া এবং ফিরিয়ে নেয়ার মধ্যে সময় অতিবাহিত করতেন। কারণ এ অবস্থার ফলে স্ত্রীরা স্বামীর সঙ্গেও বসবাস করতে পারতেন না। আবার অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারতেন না।

আবার অনেকে তিন তালাক দেয়ার পর পুনরায় তাদের স্ত্রীদের ফিরিয়ে নেয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতেন। অথচ দ্বিতীয় তালাকের পর তৃতীয় তালাকের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। 

একই সঙ্গে তিন বা ততোধিক বার অথবা একবার তালাক দিলে তা এক তালাক রজয়ী হয়। তাকে ইদ্দতের মধ্যে ফিরিয়ে নেওয়া যায়। ইদ্দত পার হয়ে গেলে স্ত্রী হারাম হয়ে যায়। তারপরেও তাকে পেতে চাইলে নতুনভাবে বিয়ে করতে হবে। অবশ্য সে নারীর অন্যত্র বিবাহ হলে, অতঃপর স্বামী তাকে স্বেচ্ছায় তালাক দিলে অথবা মারা গেলে ইদ্দতের পর আগের স্বামী তাকে পূর্ণবিবাহ করতে পারে। 

এ অবস্থার করণীয় প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন-

“অতঃপর উক্ত স্ত্রীকে যদি সে (তৃতীয়) তালাক দেয়, তবে সে পর্যন্ত না ঐ স্ত্রী অন্য স্বামীকে বিবাহ করবে, তার পক্ষে সে বৈধ হবে না। অতঃপর ঐ দ্বিতীয় স্বামী যদি তাকে তালাক দেয় এবং যদি উভয় মনে করে যে, তারা আল্লাহ্‌র সীমারেখা রক্ষা করে চলতে পারবে, তাহলে তাদের (পুনর্বিবাহের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনে) ফিরে আসায় কোন দোষ নেই। এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা, জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আল্লাহ ঐগুলি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন।” (বাকারাহঃ ২৩০)

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!