ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

খাবার ও চিকিৎসার অভাবে গাজায় ইসরায়েলি জিম্মির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৪১, ২৫ মার্চ ২০২৪
খাবার ও চিকিৎসার অভাবে গাজায় ইসরায়েলি জিম্মির মৃত্যু
ফাইল ছবি

খাবার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে গাজায় এক ইসরায়েলি জিম্মির মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। শনিবার টেলিগ্রামে ওই জিম্মির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম। 

টেলিগ্রাম বার্তায় গোষ্ঠীটি বলে, আমরা ওষুধ ও খাবারের ঘাটতির কারণে ইয়েজিভ বুখাত্তাফ (৩৪) এর মৃত্যু ঘোষণা করছি। আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে শত্রুপক্ষের বন্দীরা আমাদের মানুষদের মতো একই পরিস্থিতিতে ভুগছে; ক্ষুধা, বঞ্চনা, খাদ্য ও ওষুধের অভাব। এখন এই অসুস্থতা তাদের অনেকের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলেছে। 

সংবাদমাধ্যম আনাদোল এজেন্সি জানিয়েছে, আল-কাসাম একটি ছোট ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির শিরোনামে হামাস লিখেছে, যদিও সে (জিম্মি) ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা থেকে বেঁচে ছিল। কিন্তু খাবার ও ওষুধ সংকট থেকে সে বাঁচতে পারেনি।

গত ৭ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালায় হামাস। ওই সময় প্রায় ২৫০ জনকে গাজায় ধরে নিয়ে আসে তারা। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে শতাধিক জিম্মিকে মুক্তি দিলেও এখনো হামাসের হাতে ১৩০ জনেরও বেশি জিম্মি রয়ে গেছে।

এদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় খাবার থেকে ওষুধ কোনো কিছু প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল ত্রাণ এলেও সেগুলো পাচ্ছেন না গাজার মানুষ। এতে করে অনাহারে থাকছেন বেশিরভাগ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে শনিবার  মিসরের রাফাহ সীমান্তে যান জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, গাজাকে ত্রাণ দিয়ে ভাসিয়ে দেয়ার সময় এখন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, ত্রাণ আটকে রেখে ইসরায়েল সবার মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করছে।

অন্যদিকে মিসরের সিনাইয়ের আঞ্চলিক গভর্নর মোহাম্মদ সুসা বলেছেন, মিসরে এখন ত্রাণবাহী সাত হাজার ট্রাক প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ইসরায়েল এসব ত্রাণ আটকে রেখে বলছে, আগে এগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। পরে ত্রাণগুলো গাজায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসরায়েল। তাদের দাবি, খাবার, ওষুধ এবং আশ্রয়ের উপকরণ প্রবেশে কোনো বাধা দেয়া হচ্ছে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!