ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সন্তানকে কাফ সিরাপ খাওয়ালেই বিপদ

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৬, ২৩ ডিসেম্বর ২০২১
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সন্তানকে কাফ সিরাপ খাওয়ালেই বিপদ
পরামর্শ ছাড়া সন্তানকে কাফ সিরাপ খাওয়ালেই বিপদ। ছবি: সংগৃহীত

চলছে শীতকাল। এই সময় ঠাণ্ডা লেগে বুকে কফ জমে যাওয়ার সমস্যা যে শুখু বড়দের হয় তা কিন্তু নয়। এই সমস্যা বেহসি দেখা দেয় ছোটদের মধ্যে। দেখা যায়, এই সমস্যার ঝটপট সমাধানে অনেক মা-বাবা নিজেরাই ডাক্তারি করেন। তাদের সন্তানকে ফার্মেসি থেকে নিজেই কিনে কাফ সিরাপ খাওয়ার। যা একদমই ভুল। শিশুদের ক্ষেত্রে ওষুধের পরিমাপ সঠিক না হলে ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ।

মনে রাখবেন, যেকোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাধ্যতামূলক।

আরো পড়ুন: ওষুধ ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন বুকের কফ

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন বয়সি শিশুদের জন্য উপযুক্ত কাশির সিরাপের পরিমাণ নির্দিষ্ট হয়। মূলত শিশুর বয়স ও ওজনের উপর ভিত্তি করেই চিকিৎসকেরা ওষুধের পরিমাণ নিশ্চিত করে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একই উপাদানে তৈরি হলেও বিভিন্ন ওষুধে ভিন্ন হয় তীব্রতার মাত্রা। আর এই তীব্রতার মাত্রার সামান্য হেরফেরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন একই ওষুধের মাত্রা আলাদা হয় ২ বছর বা ৬ বছরের শিশুদের জন্য। অনেক ক্ষেত্রে ১২ বছরের কম শিশুদের কাশি দমানোর ওষুধ দিতে সঙ্কোচ বোধ করেন চিকিৎসকরা।

অধিকাংশ ওষুধের তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকলেও কিছু কিছু কাফ সিরাপ শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি লোপ, বমি বা মৃগীর মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সম্প্রতি দিল্লিতে কাফ সিরাপের সমস্যায় দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলেও খবর। তাই চার বছরের বেশি বয়সি শিশুদের কাফ সিরাপ খাওয়াতে হলে নিজে নিজে ডাক্তারি করা থেকে বিরত থাকুন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!