শনিবার (২৭ মে) মায়ের হাত ধরে ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেন দীপ্ত। শ্রুতিলেখক সাব্বির ইসলামের সহায়তা নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে বিশেষ ব্যবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।
দীপ্ত থাকেন পুরাণ ঢাকার নারিন্দা এলাকায়। ২০২০ সালে নারিন্দা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে মাধ্যমিক (এসএসসি) এবং পরবর্তীতে কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে ২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাশ করেন তিনি।
.png)
দীপ্তর মা দীপিকা রাণী সরকার বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। চাকরির সুবাদে এখানে থাকা। ছোটবেলা থেকেই আমার বড় ছেলে দীপ্তর রেটিনাতে সমস্যা। ডাক্তাররা জানিয়েছেন দীপ্ত একসময় সম্পূর্ণরূপে অন্ধ হয়ে যাবে। যন্ত্র ব্যবহার করে শ্রুতি লেখক ছাড়াই দীপ্ত এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। কিন্তু চোখের অবস্থা এখন আরো খারাপ। এত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও দীপ্ত অনেক ভালো করেছে।
তিনি বলেন, দীপ্তর বাবা আর আমি দুজনেই চাকরি করি। ওকে যথাসাধ্য সময় দেওয়ার চেষ্টা করি।
পরীক্ষা শেষে দীপ্ত বিশ্বাস বলেন, পরীক্ষা ভালো হয়েছে। প্রশ্ন মানসম্মত হয়েছে। শর্ট সিলেবাস থেকেই প্রশ্ন হয়েছে। ৭০টি প্রশ্নের মত উত্তর দিয়েছি। আশা করছি, এখানে চান্স হবে।
দীপ্ত আরো বলেন, আমার ইচ্ছা বড় হয়ে আমি একজন শিল্পপতি হব। আমার মত যারা প্রতিবন্ধী ও অসহায় আছে এবং যারা সুবিধাবঞ্চিত তাদের পাশে দাঁড়াব। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিব।