ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

যে কারণে ঢাবিতে বসছে ১০০ সিসি ক্যামেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক  
প্রকাশিত: ১৫:০৯, ১৩ জুলাই ২০২২
যে কারণে ঢাবিতে বসছে ১০০ সিসি ক্যামেরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ফাইল ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন স্থানে ১০০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের অধীনে এসব ক্যামেরা লাগানো হবে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এসব সিসি ক্যামেরা বসানো হবে।

ঢাবির আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে মোবাইল, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরি বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। সাধারণত গণরুম, পলিটিক্যাল রুমে এসব চুরি হচ্ছে। এর অধিকাংশই ঘটছে সিসি ক্যামেরার অপ্রতুলতার কারণে।

কয়েক বছর আগে বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধান ও ইউজিসির অর্থায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্প ‘হেকেপ’-এর অধীনে ঢাবির ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) সিসি ক্যামেরার একটি প্রকল্প হাতে নেয়। ‘ই-প্রেজেন্স’ নামে প্রকল্পটির অধীনে ১১৩টি ক্যামেরা ছিল। 

ক্যাম্পাসের নীলক্ষেত মোড় থেকে শুরু করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ ক্যামেরাগুলো রয়েছে। বছর দুয়েক আগে প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়। তবে ক্যামেরা থাকলেও নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ ইস্যুতে সেগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এসব ক্যামেরার ৬০টিতে নতুন করে সংযোগ দিয়ে নীলক্ষেত মোড় থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত, টিএসসির আশেপাশে, টিএসসি থেকে রাসেল টাওয়ার হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার দিয়ে শক্তি ইনস্টিটিউট পর্যন্ত এলাকার রাস্তায় বসানো হবে।

বাকি ৪০টি ক্যামেরা লাগানো হবে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের চারদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের আশপাশে ও শহীদুল্লাহ হলে। গত ২৯ জুন এ প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বানও করা হয়।

আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসিফ হোসেন খান বলেন, সিসিটিভির কাজ করার কথা থাকলেও করোনার জন্য দুই বছর পিছিয়ে পড়েছি। ১০০টি নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে নীলক্ষেত থেকে টিএসসি, টিএসসি থেকে শহিদ মিনার হয়ে শক্তি ইনস্টিটিউট পর্যন্ত।

তিনি আরো বলেন, এই ক্যামেরাগুলো ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছি। এটা সাকসেসফুল হলে বাকি রাস্তাগুলোতেও ক্যামেরা লাগানোর প্রক্রিয়া শুরু করব। মেট্রোরেলের কাজ শেষ হলে চারুকলা, বাংলা একাডেমির দিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো শুরু হবে। এরই মধ্যে এটির জন্য দরপত্র আহ্বান শুরু হয়ে গেছে। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল থেকে সিসি ক্যামেরাগুলো নিয়ন্ত্রিত। কোনো ঘটনায় ডকুমেন্টস প্রয়োজন হলে বা আইনশৃঙ্খলার কাজে প্রয়োজন হলে আমরা তাদের সহযোগিতা নেই। তারা একটি নতুন প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!