‘বিপন্ন বিস্ময়’ জীবনানন্দকে স্মরণ করল শ্রীপুর
কবি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যকর্ম ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর স্বতন্ত্র অবদান স্মরণে গাজীপুরের শ্রীপুরে ৭২তম প্রয়াণদিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কবির জীবন, কবিতা ও গ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করেন কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে জীবনানন্দের সাহিত্যকর্ম তুলে ধরতে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় শ্রীপুর নবারুণ ক্লাব ও শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে ‘জীবনানন্দ দাশ: বিপন্ন বিস্ময়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীপুর নবারুণ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মো. হুমায়ুন কবির সরকার। সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি আ. কবির মণ্ডল এমএ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্লাবের উপদেষ্টা কামরুল হাসান মণ্ডল মিলন ও শ্রীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মফিজুল ইসলাম বুলবুল।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর। তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নিসর্গ, নিঃসঙ্গতা ও মানুষের জীবনবোধ গভীর মমতায় উঠে এসেছে। সময়ের পরিবর্তন হলেও তাঁর কবিতার আবেদন অমলিন। তাঁর সাহিত্যকর্ম নিয়ে পাঠ ও আলোচনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, আলোচনা সভায় কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনী, কবিতা, গ্রন্থ ও সাহিত্যকর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নেন শ্রীপুর সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, কবি ও প্রাবন্ধিক মো. সেলিম মোল্লা; পিয়ার আলী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আহাম্মাদুল কবির; একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক, কবি ও নাট্যকার মমিনুল ইসলাম মোল্লা; শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রানা মাসুদ এবং সাধারণ সম্পাদক মহসিন আহমেদ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শ্রীপুর নবারুণ ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু সুলতান ও শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিশকাত রাসেল।