মৌমাছির চাকে পাখির থাবা, আহত ৫
শনিবার সকালে বাড়ির পাশে নিজের সবজি বাগানে কাজ করছিলেন বৃদ্ধ ইছাহক প্রামানিক। ওই সময় একটি পাখি মৌমাছির চাকে থাবা মারে। এতে মৌমাছির দল ওই বৃদ্ধের ওপর আক্রমণ চালায়। তার চিৎকারে এগিয়ে এলে আহত হন আরো চারজন। তাদের ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের মির্জপুর গ্রামে। আহতরা হলেন- মির্জাপুর গ্রামের ইছাহক প্রামানিক, তার ভাতিজা কামাল হোসেন, আমেনা খাতুন, লালু ও সলিম ব্যাপারী।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশে নিজের সবজি বাগানে কাজ করছিলেন বৃদ্ধ ইছাহক প্রামানিক। সবজি বাগানের পাশের বেল গাছে ছিল মৌচাক। সেই মৌচাকে আঘাত করে একটি পাখি। পরে মৌমাছির দল এসে বৃদ্ধ ইছাহক প্রামানিকের ওপর আক্রমণ করে। তার চিৎকারে তার ভাতিজা কামাল হোসেন এগিয়ে গেলে তাকেও আক্রমণ করে মৌমাছি। তাদের বাঁচাতে আমেনা খাতুন এগিয়ে এলে তাকেও আক্রমণ করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করতে গেলে লালু ও সেলিম ব্যাপারী আহত হয়। আহতদের ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পাঁচজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বৃদ্ধ ইছাহক প্রামানিক বলেন, বেল গাছে মৌমাছির চাকে হঠাৎ একটি পাখি থাবা দেয়। এ সময় মৌমাছির দল চাক থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে কামড়াতে থাকে। আমি ওই সময় গাছের নিচে সবজির বাগানে কাজ করতে ছিলাম। আমার চিৎকার শুনে আমার কাছে যে যে এসেছে তাকেই মৌমাছি কামড় দেয়।
ভেড়ামারা বন বিভাগের কর্মকর্তা জাহিদুজ্জামান বলেন, আমাদের দেশের টিয়া, শালিক, কাঠঠোকরা, ছাতারে, বুলবুল ও বসন্তবাউরি ইত্যাদি প্রজাতির বেশির ভাগই মধুরেণু পান করে। পরিত্যক্ত মৌচাকে হানা দেয় এসব প্রজাতির অল্প কিছু পাখি। মধুসহ মৌমাছির ডিম আর ছানা খায়। এজন্য আমাদের সর্তক থাকতে হবে। মৌমাছির চাকে কেউ ঢিল বা পাখি আক্রমণ করতে দেখলে দূরে থাকতে হবে।