মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে না ফেরার দেশে মা
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নে স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে মা সুমি আক্তারের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ডা. মো. আরমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের শান্তির হাট গ্রামে আব্দুর রব বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মা-মেয়ে। মৃত নারী ওই এলাকার আমির হোসেনের স্ত্রী সুমি আক্তার। আহত সুমাইয়া স্থানীয় কুশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
হাসপাতালে স্বজনরা জানান, স্কুলছাত্রী সুমাইয়া তার পাঁচ মাসের ছোট ভাইকে দোলনায় শুয়ে রেখে খেলাধুলা করছিল। এ সময় পাশে বৈদ্যুতিক পাখা ছিল। ওই বৈদ্যুতিক পাখা থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সুমাইয়া। পরে বিষয়টি তার মা সুমির চোখে পড়ে। এ সময় সুমাইয়াকে বাঁচাতে গিয়ে সুমি আক্তারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে গেলে চিকিৎসক সুমিকে মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ে সুমাইয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, সুমি আক্তারের মৃত্যুতে হাসপাতালের বারান্দায় সুমির মা আশুরা খাতুন বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ডা. মো. আরমান হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে গৃহবধূকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।