হত্যার পর ফোনে লাশ নিয়ে যেতে বলে হত্যাকারীরা
ঢাকার সাভারে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়জন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই ঢাকা জেলার এসআই সালে ইমরান।
গত ৬ অক্টোবর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুরের যমুনা ন্যাচারাল পার্কের সামনে থেকে মিরপুরের হোটেল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম লস্করের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। পরে নিহতের স্ত্রী হাফিজা বেগম অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার পায় ঢাকা জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই তদন্ত করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আশুলিয়া ও ঢাকার যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়া নয় ডাকাতকে আটক করে। এ সময় পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও একটি যাত্রীবাহী বাস উদ্ধার করে।
.png)
আটক নয় ডাকাত হলো, বাসির মোল্ল্যা, শেখ হাফিজ, আনোয়ার হোসেন, আমির হোসেন, আল আমিন, জুয়েল মিয়া, নঈম, তপন মিয়া ও নাজমুল মিয়া। আটকদের দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই ঢাকা জেলার এসআই নিরস্ত্র সালে ইমরান বলেন, গত ৫ অক্টোবর মিরপুরের হোটেল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম লস্কর আশুলিয়ার ডিইপিজেড এলাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। পরে তিনি নবীনগর থেকে মিরপুর যাওয়ার জন্য একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠেন। যাত্রীবাহী বাসে উঠার পরে একদল ডাকাত ওই হোটেল ব্যবসায়ীকে বাসের ভেতরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পরে লাশ সাভারের বলিয়ারপুর এলাকায় রাস্তায় ফেলে দিয়ে যায়। এ সময় ডাকাতরা নিহতের পরিবারের সদস্যদের মোবাইলে ফোন দিয়ে হত্যা করার কথা বলে। লাশ বলিয়ারপুরে ফেলে রাখা আছে নিয়ে যেতে বলেন। পরে ছয় অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই হোটেল ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, আটক ডাকাতরা ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।