‘ফোনকল ম্যাজিক’-এর মাধ্যমেই ১৬ ঘণ্টায় ৪ আসামি গ্রেফতার
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার প্রায় ৩৮ ঘণ্টা পর্যন্ত মামলায় উল্লেখ করা ছয়জন আসামি ছিলেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এরপরের ১৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ চারজন ধরা পড়েন।
এই ১৬ ঘণ্টায় এমন কী হলো যাতে ধরা পড়লেন চার আসামি? এমন প্রশ্ন মনে আসা স্বাভাবিক। উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এল এই সাফল্যের পেছনে আছে 'ফোনকল ম্যাজিক'। এমসি কলেজের একজনের ফোন নম্বর ট্র্যাক করে আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর সমন্বিত অভিযানে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এজাহারভুক্ত আরো দুই আসামি ও অজ্ঞাত তিনজনকে গ্রেফতারেও সক্রিয় রয়েছে পুলিশ, গোয়েন্দাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি দল।
জানা গেছে, ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রাতেই জানাজানি হয়। সামাজিকমাধ্যমে তাদের ছবিও ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার সকালে এ ঘটনায় মামলা হয়। শনিবার সকাল আটটা থেকে বেলা ১১টা—এই তিন ঘণ্টায় এমসি কলেজের এক অভিযুক্তের মুঠোফোন নম্বরে অসংখ্যবার কল আসে। এতে পুলিশের সন্দেহ হয়। পুলিশ তার মুঠোফোন নম্বর ট্র্যাক করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত হলে একে একে ধরা পড়েন এজাহারভুক্ত চারজন আসামি।