চষে বেড়ানোর মতো যত জায়গা ঢাকা বিভাগে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৯ ১৪২৭,   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

চষে বেড়ানোর মতো যত জায়গা ঢাকা বিভাগে (পর্ব-০১)

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১৭ ২৯ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২১:১৮ ২৯ অক্টোবর ২০২০

পাখির চোখে ঢাকার একাংশ; ছবিঃ সংগৃহীত

পাখির চোখে ঢাকার একাংশ; ছবিঃ সংগৃহীত

রবিঠাকুরের সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ
জীবনানন্দের রূপসী বাংলা, রুপের যে তার নাইকো শেষ।

বাংলা সাহিত্যের সেরা ৩ কবি বঙ্গমাতাকে তাদের চোখ দিয়ে দেখেছেন এবং আমাদের সাহিত্যকে করেছেন মহিমাময়। কেমন দ্বিজেন্দ্রলালের সকল দেশের রাণী, আমাদের এই দেশটা? সেটা ভালো করে বুঝতে হলে চষে বেড়াতে হবে, এই বাংলা মায়ের বুকে। তবে ঢাকা দিয়েই শুরু করতে পারেন বাংলাদেশ দেখা।

কথায় আছে, চারশ’ বছরের ঢাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার দৃশ্যপট। আন্তর্জাতিকভাবে মসজিদের শহর, রিকশার রাজধানীর মত বহু নামে পরিচিতি রয়েছে এ শহরের। তবে এসব ছাড়াও সমগ্র ঢাকা বিভাগে রয়েছে অগণিত দর্শনীয় স্থান।

চলুন তাহলে ঘুরে আসি ঢাকা বিভাগের দেখার মতো জায়গাগুলো থেকে-

ঢাকা জেলা-

লালবাগ কেল্লা (লালবাগ, পুরান ঢাকা), আহসান মঞ্জিল (ইসলামপুর, পুরান ঢাকা), বড় কাটরা ও ছোট কাটরা (চকবাজার, পুরান ঢাকা), কার্জন হল (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা), শহীদ মিনার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা), ঢাকেশ্বরী মন্দির (পুরান ঢাকা), তারা মসজিদ (আরমানিটোলা, পুরান ঢাকা), রায়ের বাজার বদ্ধভূমি (রায়ের বাজার), ফ্যান্টাসি কিংডম (আশুলিয়া, সাভার), নন্দন পার্ক (নবীনগর, সাভার), হাতিরঝিল (রামপুরা, তেঁজগাও, গুলশান এলাকার মাঝে), সংসদ ভবন (শেরে বাংলা নগর), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (বিজয় স্মরণী, তেঁজগাও), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (সাভার), জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার), মৈনট ঘাট- মিনি কক্সবাজার (দোহার), গোলাপ গ্রাম (সাভার)।

মুন্সিগঞ্জ জেলা-

মাওয়া ফেরিঘাট (মাওয়া), শ্যামসিদ্ধি স্থান (বজ্রযোগিনী, বিক্রমপুর), নাটেশ্বর বৌদ্ধ বিহার (নাটেশ্বর), স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি (রাড়িখাল), বল্লালবাড়ি (রামপাল)।

ফরিদপুর জেলা-

পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের বাড়ি এবং নতুন জাদুঘর (কবির বাড়ি বা অম্বিকাপুর), আলীপুর মসজিদ (আলীপুর), মথুরাপুর দেঊল (মধুখালী), সাতৈর জামে মসজিদ (বোয়ালমারী), আটরশি (জাকের মঞ্জিল, সদরপুর), কানাইপুর জমিদার বাড়ি (কানাইপুর), পাতরাইল মসজিদ (ভাঙ্গা), দোলমঞ্চ (পুঠিয়া বাজার), শিব মন্দির (কাচারিপাড়া), গেরদা ফলক (গেরদা)।

টাঙ্গাইল জেলা-

মহেরা জমিদার বাড়ি (নাটিয়াপাড়া), পীরগাছা রাবার বাগান (মধুপুর), যমুনা রিসোর্ট ও বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), কাদিম হামজানি মসজিদ (কালিহাতি), পরীর দালান (শিমলাপাড়া, হেমনগর), বাসুলিয়া বিল (বাসাইল), পাকুটিয়ার জমিদার বাড়ি (পাকুটিয়া), গুপ্ত বৃন্দাবন (ঘাটাইল), গয়হাটার মঠ (গয়হাটা, নাগরপুর), সাগরদীঘি (ঘাটাইল), নবাব মঞ্জিল (ধনবাড়ি), করটিয়া জমিদার বাড়ি (করটিয়া), মধুপুর জাতীয় উদ্যান (মধুপুর), এলেঙ্গা রিসোর্ট (কালিহাতি), আদম কাশ্মিরীর মাজার (পাথরাইল), নাগরপুর চৌধুরী বাড়ি (নাগরপুর)।

গাজীপুর জেলা-

সারাহ গার্ডেন রিসোর্ট (বাঘের বাজার), সোহাগ পল্লী (কালামপুর), নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট (রাজবাড়ি, শ্রীপুর), অঙ্গনা রিসোর্ট (সূর্যনারায়ণপুর, কাপাসিয়া), বেলাই বিল (কানাইয়া বাজার), রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র (চন্দ্রা), ছুটি রিসোর্ট (সুকুন্দি গ্রাম, গাজীপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান), গাজীপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (জয়দেবপুর), বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক (মাওনা, শ্রীপুর), নুহাশ পল্লী (পিরুজ আলী গ্রাম), জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্ট (পুবাইল, টংগী), স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট (সালনা), আনসার একাডেমী (সফিপুর), মনপুড়া পার্ক (কাশিমপুর), রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট (রাজেন্দ্রপুর)।

গোপালগঞ্জ জেলা-

আড়পাড়া মন্সীবাড়ি (টেকেরহাট), কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিকবাড়ি (কোটালীপাড়া), বঙ্গবন্ধুর সমাধি (টুঙ্গীপাড়া), শাপলার বিল (কোটালীপাড়া), গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ি (ভাটিয়াপাড়া), উলপুর জমিদার বাড়ি (উলপুর), চন্দ্রঘাট (গোপালগঞ্জ সদর), সখীচরন রায়ের বাড়ি (ভাটিয়াপাড়া), উজানীর রাজবাড়ি (মুকসুদপুর), বিল রুট ক্যানেল (আড়পাড়া), ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি (ওড়াকান্দি)।

কিশোরগঞ্জ জেলা-

সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি (কটিয়াদী), জঙ্গলবাড়ি দুর্গ (করিমগঞ্জ), এগারোসিন্দুর দুর্গ (পাকুন্দিয়া), কবি চন্দ্রাবতী মন্দির (কিশোরগঞ্জ সদর), গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি (হোসেনপুর), কুতুবশাহ মসজিদ (অষ্টগ্রাম), নিকলী হাওর (নিকলী), মিঠামইন হাওর (মিঠামইন), অষ্টগ্রাম হাওর (অষ্টগ্রাম), ওয়াচ টাওয়ার (কিশোরগঞ্জ সদর), ভৈরব সেতু (ভৈরব), শোলাকিয়া ইদগাহ মাঠ (কিশোরগঞ্জ সদর), পাগলা মসজিদ (হারুয়া), দিল্লীর আখড়া (মিঠামইন)।

মাদারীপুর জেলা-

শকুনীলেক (মাদারীপুর সদর), চরমুগুরিয়ার বানর (চরমুগুরিয়া), পর্বতের বাগান (মাদারীপুর সদর), প্রণব মঠ (বাজিতপুর), আউলিয়াপুর নীলকুঠি (মাদারীপুর সদর), সেনাপতির দীঘি (কালকিনি), ঝাউদি গিরি (মাদারীপুর সদর), রাজা রামমোহন রায়ের বাড়ি ও রাজা রাম মন্দির (রাজৈর), মিঠাপুর জমিদার বাড়ি (মাদারীপুর সদর), খালিয়া শান্তিকেন্দ্র (রাজৈর)।

মানিকগঞ্জ জেলা-

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি (সাটুরিয়া), তেওতা জমিদার বাড়ি (শিবালয়), স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট (হরিরামপুর), ক্ষণিকা পিকনিক স্পট (মানিকগঞ্জ সদর), নাহার গার্ডেন পিকনিক স্পট (সাটুরিয়া), আরিচা ঘাট (শিবালয়)।

নারায়ণগঞ্জ জেলা-

মায়াদ্বীপ (বারদী, সোনারগাঁও), সায়রা গার্ডেন রিসোর্ট (মদনপুর), সুবর্ণ গ্রাম এমিউসমেন্ট পার্ক ও রিসোর্ট (ভূলতা), বারদী লোকনাথ আশ্রম (বারদী, সোনারগাঁও), সোনারগাঁও জাদুঘর (সোনারগাঁও), মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (রূপগঞ্জ), পানাম নগর (সোনারগাঁও), জিন্দা পার্ক (রূপগঞ্জ), তাজমহল (সোনারগাঁও), চৌদ্দার চর (আড়াইহাজার), বন্দর শাহী মসজিদ (কদম রসুল), সোনাকান্দা দুর্গ ও হাজীগঞ্জ দুর্গ (হাজীগঞ্জ), সাতগ্রাম জমিদার বাড়ি (পুরিন্দা), বালিয়াপাড়া জমিদার বাড়ি (মদনপুর), পন্ড গার্ডেন পার্ক (রূপগঞ্জ), বিবি মরিয়ম মসজিদ ও সমাধি (হাজীগঞ্জ)।

নরসিংদী জেলা-

লক্ষ্মণ সাহার জমিদার বাড়ি (ডাংগা), দেওয়ান শরীফ মসজিদ (পলাশ), সোনাইমুড়ি টেক (সোনাইমুড়ি), উয়ারী বটেশ্বর (বেলাবো), গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ি (ডাংগা), শাহ ইরানি মাজার (বেলাবো), আশ্রাবপুর মসজিদ (শিবপুর), ড্রিম হলিডে পার্ক (পাঁচদোনা), লটকন বাগান (বেলাবো), বালাপুর জমিদার বাড়ি (বালাপুর), মনুমিয়া জমিদার বাড়ি (ঘোড়াশাল)।

রাজবাড়ী জেলা-

কল্যাণ দীঘি (নবাবপুর), নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির (বালিয়াকান্দি), মীর মোশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র (বালিয়াকান্দি), নীলকুঠি (বালিয়াকান্দি), শাহ পালোয়ানের মাজার (বালিয়াকান্দি), সমাধিনগর মঠ (বালিয়াকান্দি)।

শরীয়তপুর জেলা-

সুরেশ্বর দরবার শরীফ (নড়িয়া), বুড়ির হাটের মসজিদ (ভোদরগঞ্জ), মানসিংহের বাড়ি (নড়িয়া), হাটুরিয়া জমিদার বাড়ি (গোসাইরহাট), শিবলিঙ্গ (নড়িয়া), ধানুকার মনসা বাড়ি (শরীয়তপুর সদর), রাম সাধুর আশ্রম (নড়িয়া), রুদ্রকর মঠ (শরীয়তপুর সদর), ফতেজজংপুর দুর্গ (নড়িয়া), আনন্দবাজার বেড়িবাঁধ (ভেদরগঞ্জ)।

ঘুরে বেড়ালে মানসিক প্রশান্তি মেলে ঠিকই। তবে করোনাকালে প্রয়োজন ছাড়া কোথাও না যাওয়াই ভালো। তবে যদি একান্তই কোথাও যেতে হয়, তাহলে অবশ্যই স্বাস্থবিধি মেনে চলবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ