ঢাকার কাছেই অভ্যর্থনা জানাচ্ছে লাল শাপলা

ঢাকা, শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৪ ১৪২৭,   ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

ঢাকার কাছেই অভ্যর্থনা জানাচ্ছে লাল শাপলা

ভ্রমণ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৫১ ২ জুলাই ২০২০  

শাপলা বিল। ফাইল ছবি

শাপলা বিল। ফাইল ছবি

কী অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য! একপাশে বিলের স্নিগ্ধ রূপ, অন্যপাশে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে লাল শাপলা। দূর থেকেই মনে হচ্ছে, আমাদের অপেক্ষাতেই স্বচ্ছ পানির উপরে লাল শাপলা ফুলের বড় এক প্রাকৃতিক স্বর্গ সৃষ্টি করে দাঁড়িয়ে আছে! ফুটন্ত শাপলা ফুলের রাজ্যের মধ্যে বেশ কয়েকজন ছেলে-মেয়ে ভেসে বেড়াচ্ছেন নৌকায়। এপার থেকে ওপারে যাচ্ছেন, শাপলা তুলছেন তারা।

শাপলার এমন লাল দুনিয়ার দেখা মিলবে ঢাকার অদূরেই! নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের পাশেই এই বিল। এটিকে সবাই ‘শাপলার বিল’ নামে চিনলেও এর মূল নাম শিমুলিয়া কুলাদি বিল। ফুল ফোটার পর থেকেই পাথরে বন্দি জীবন কাটানো মানুষরা প্রশান্তির আশায় ছুটে আসেন এ বিলে।

দূর থেকেই চোখে পড়বে লাল আর সবুজের মাখামাখি। কাছে গেলে স্পষ্ট হবে শাপলা ফুলের এক প্রাকৃতিক স্বর্গ। দেখেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। আগাছা আর লতাগুল্মে ভরা বিলের পানিতে ফুটে থাকা হাজার হাজার লাল শাপলা দেখতে কার না ভালো লাগে!

সূর্যের সোনালি আভা শাপলাপাতার ফাঁকে ফাঁকে পানিতে প্রতিফলিত হয়ে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় এই বিলের সৌন্দর্য। নৌকা কিংবা হাঁটুপানি মাড়িয়ে বিলের ভেতর ঢুকলে মনে হবে বাতাসের তালে তালে এপাশ-ওপাশ দুলতে দুলতে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে শাপলারা। সে হাসিতে বিলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে আনন্দধারা।

লাল, সাদা ও বেগুনি—তিন রঙের শাপলা জন্মে এ বিলে। তবে লাল শাপলাই বেশি। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিলে শাপলা থাকে। তবে জুলাই মাস শেষে যাওয়াই ভালো, কারণ এই সময়ে শাপলা মাত্র ফুটতে শুরু করে। সেখানে বেশ কয়েকটি ছোট নৌকা রয়েছে, চাইলে সেগুলোতে ঘুরে বেড়াতে পারেন ঘণ্টা চুক্তিতে।

যেভাবে যাবেন

যে কোনো জায়গা থেকে রূপগঞ্জ যেতে পারেন। এরপর সেখান থেকে কাঞ্চন ব্রিজ। অথবা কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মাইক্রোতে যেতে পারেন কাঞ্চন ব্রিজ। জনপ্রতি ভাড়া নেবে ৬০ টাকা। এরপর সেখান থেকে অটো রিকশায় যাবেন শিমুলিয়ায়। তবে হ্যাঁ, প্রশাসনের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্রমণ করুণ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে