২৫ বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করবে চসিক

ঢাকা, সোমবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৫ ১৪২৮,   ১১ সফর ১৪৪৩

২৫ বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করবে চসিক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:১৫ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

জোড়া দীঘি, পাহাড়তলী

জোড়া দীঘি, পাহাড়তলী

নগরীতে ২৫টি বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরই মধ্যে প্রাথমিক জরিপ শেষে ডিজাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এতে নিয়োগ পেয়েছে রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পের ডিজাইন করা প্রতিষ্ঠান বৃত্তি।

বিনোদনকেন্দ্রের জন্য চিহ্নিত স্থানগুলো হলো- আগ্রাবাদ ডেবা, জোড়া দীঘি, ভেলুয়ার দীঘি, হালিশহর কে ব্লক খেলার মাঠ, আই ও জে ব্লক খেলার মাঠ, এ ব্লক খেলার মাঠ, পলোগ্রাউন্ড কলোনি মাঠ, বহদ্দারহাটের বহদ্দারবাড়ি পুকুর ও সংলগ্ন আরেকটি পুকুর, শাহজাহান মাঠ, শাহজাহান মাঠের অদূরে শেখ রাসেল পার্ক, ঠাণ্ডাছড়ি, দেওয়ানহাট ওভারব্রিজের নিচে রেললাইন সংলগ্ন একটি পার্ক, বক্স আলী রোডে একটি পার্ক, কলসি দীঘির পাড়, পাহাড়তলী মিনারের পাশের ১৬ গণ্ডা জায়গা, পাহাড়তলী ঈদগাহ মাঠ, চরচাক্তাই স্কুল সংলগ্ন খেলার মাঠ এবং তার অদূরে একটি পার্ক।

চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, নির্বাচনকালীন সময়ে দেওয়া ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কাউন্সিলরদের সহযোগিতায় এলাকাভিত্তিক জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে। কিছু জায়গা চিহ্নিত করে ডিজাইনের কাজও শুরু করা হয়েছে। আরো কিছু চিহ্নিত করে উন্নয়ন ও সংস্কার করা হবে।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আবদুল্লাহ আল ওমর বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ডিজাইন ড্রয়িং তৈরির কাজ শেষ হবে। এরপর এলাকার লোকজনের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমেই এসব কেন্দ্র পরিচালিত হবে।

শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ যাতে হাঁটতে পারে, খেলতে পারে কিংবা বিকেলে একটু ঘুরতে পারে সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই পরিকল্পনাটি গ্রহণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে চুয়েট ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ডিপিপি তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, কিছু খোলা জায়গা আছে, যেগুলো মানুষ রাতের বেলা নিরাপদবোধ করে না। পর্যাপ্ত আলোর অভাবেই রাতের বেলা পার্কগুলো ব্যবহার হয় না। সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। এলাকাগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

চিহ্নিত স্থানসমূহের মালিকানা প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ আল ওমর বলেন, কিছু জায়গা সিটি কর্পোরেশনের। এছাড়া যেসব পুকুরের কথা বলা হচ্ছে সেগুলো মালিকানাধীন। তবে আইনের দিক থেকে পুকুর ভরাটের সুযোগ নেই। তাই পুকুর পাড়গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দিলে মালিকের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এর বাইরে কিছু জায়গা বাংলাদেশ রেলওয়ের। সেগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সিটি কর্পোরেশন শুধুমাত্র উন্নয়ন ও সংস্কার করে দেবে। মালিকানা যার, তারই থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম