বাদল রায়ের নামে হবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের প্রেসবক্স : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১ ১৪২৮,   ০৭ সফর ১৪৪৩

বাদল রায়ের নামে হবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের প্রেসবক্স : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩৯ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৬:৪০ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কথা বলছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি

বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কথা বলছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি

বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার ও ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সহ-সভাপতি প্রয়াত বাদল রায়ের নামে হবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রেসবক্স।

বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ক্রীড়াবিদদের জন্য প্রদেয় আর্থিক সহায়তার এক কোটি দশ লক্ষ টাকার চেক/ সঞ্চয়পত্র ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে হস্তান্তর করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। সে অনুষ্ঠানেই এই ঘোষণা দেন তিনি। 

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ফুটবলে বাদল রায়ের অনেক অবদান। তিনি ফুটবল ছাড়াও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদসহ অনেক জায়গায় আন্তরিকতার সঙ্গে সময় এবং মেধা দিয়েছেন। তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমরা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

প্রেসবক্সকে বাদল রায়ের নামকরণের পেছনে ব্যাখাও দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী, ‘একটি স্টেডিয়ামের অন্যতম সৌন্দর্য্য প্রেসবক্স। বাদল দা’র সঙ্গে সাংবাদিকদের অনেক সখ্যতাও ছিল। সব কিছু বিবেচনা করে আমরা বাদল দা’র নামে প্রেসবক্স নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায় বলেছেন, আজকে এভাবে ঘোষণা হবে আমি ভাবিনি। বুঝতেও পারিনি। এটা আমাদের জন্য একটা চমক। আর প্রধানমন্ত্রী বাদলের কাছে ছিলেন একজন মমতাময়ী মা। তার যে উপহার পেলাম, তাও আমার জন্য অনেক বেশি। আমি আশা করব প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদ আমার ছেলে ও মেয়ের ওপর সবসময় থাকবে। 

বাদল রায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন ও রাজনীতিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ১৯৭৮ সালে তিনি মোহামেডানে খেলা শুরু করেন। এই সাদা কালো জার্সিতেই তিনি অবসরে যান। খেলা ছাড়ার পর মোহামেডান ক্লাব ও ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আমৃত্যু। বাদলের রাজনৈতিক ক্যারিয়াও বর্ণাঢ্য। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে দাউদকান্দিতে নির্বাচন করেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮১ সালে ডাকসুর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস