বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতি

ঢাকা, সোমবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৫ ১৪২৮,   ১১ সফর ১৪৪৩

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতি

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১৪ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

(ফাইল ছবি)

(ফাইল ছবি)

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি অপরিহার্য বিষয়। তাই এ দুটি বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।   

সেক্ষেত্রে পড়া যেতে পারে ১. উচ্চমাধ্যমিকের বাংলা প্রথম পত্র বই, ২. নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ, ৩. সাহিত্য জিজ্ঞাসা– ড.সৌমিত্র শেখর, ৪. প্রশ্নব্যাংক পর্যালোচনা।

পড়তে হবে মূল বই: প্রতিবছরই বাংলা প্রথম পত্র বই থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন আসে। গত বছর ১৬টি বাংলা এমসিকিউর মধ্যে ৯টিই মূল বই থেকে এসেছে। বিগত বছরগুলোয়ও ৮-১০টি প্রশ্ন বই থেকে এসেছে। তাই বাংলা মূল বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। 

তাই মূল বই ভালো করে পড়তে হবে। শুধু রিডিং পড়লেই হবে না। তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আন্ডারলাইন করে বারবার পড়তে হবে। গল্পে বা কবিতায় যে ফুল, ফল, নদী, গাছ, পোকা, পাখি ইত্যাদি শব্দ খুব সচেতনভাবে পড়তে হবে। কারণ বিগত বছরগুলোতে এসব বিষয় থেকে অনেক প্রশ্ন এসেছে। তা ছাড়া কবির নামের বানানও ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ যদি বলা হয় বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার লেখকের নাম কী? তাহলে অনেক শিক্ষার্থীই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামটি লিখতে বা সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে ভুল করতে পারে; যদি নামটি একটু পরিবর্তন করে সবগুলো অপশনে বসিয়ে দেয়া হয়।

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইটি থেকেও অনেক প্রশ্ন করা হয়। বিগত বছরগুলোতে গড়ে ৯-১০টি প্রশ্ন এসেছে। ২০১৯-২০ সালের নতুন সিলবাসের পরীক্ষায়ও এখান থেকে অনেক প্রশ্ন করা হয়েছিল। সম্পূর্ণ বইটি ভালোমতো আয়ত্তে আনতে হবে। বাক্য প্রকরণ, ধ্বনি পরিবর্তন, ণত্ব ও ষত্ব বিধান, উপসর্গ-অনুসর্গ, সমাস, সন্ধি, কারক ও বিভক্তি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ  বিষয়গুলোর ওপর জোর দিতে হবে।

সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে শুধু বিরচন অংশটি, অর্থাৎ বাগধারা, এককথায় প্রকাশ, বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ, শুদ্ধি-অশুদ্ধি, সমোচ্চারিত শব্দ ইত্যাদি অংশ পড়লেই হবে। 

প্রতিদিন বাংলা ব্যাকরণের ১টি করে টপিকস পড়লেই যথেষ্ট। তবে এখন প্রস্তুতির শেষ দিকে আছি আমরা। সে ক্ষেত্রে নিজের পড়াশোনার গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। বিরচন অংশগুলো মুখস্থের বিষয়। প্রথম প্রথম পড়তে অসহ্য লাগবে; কিন্তু হতাশ হওয়া যাবে না। কয়েকবার রিভিশন দিলেই সম্পূর্ণ আয়ত্তে চলে আসবে। আমাদের সময় লিখিত না থাকায় লিখিত অংশের বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। তবে গত বছরের প্রশ্ন দেখে সহজেই অনুমান করা যায় লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে বাংলা মূল বইটা ভালোভাবে বুঝে পড়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম