দেশ-জাতি ও গণতন্ত্রের জন্য নীরবে কাজ করছেন শেখ রেহানা

ঢাকা, শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৪ ১৪২৮,   ০৯ সফর ১৪৪৩

দেশ-জাতি ও গণতন্ত্রের জন্য নীরবে কাজ করছেন শেখ রেহানা: ওবায়দুল কাদের 

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪২ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:৫৫ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা দেশ-জাতির কল্যাণ এবং গণতন্ত্রের জন্য নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সোমবার তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর এক কঠিন এবং সংগ্রামী জীবনযাপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সরাসরি রাজনীতিতে না এলেও বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন এ নির্মোহ এবং জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব।

তিনি আরো বলেন, সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত শেখ রেহানা লন্ডনে মেট্রো ও বাসে যাতায়াত করেন। চাকরি এবং পরিশ্রম করেই সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংকটে-সংগ্রামে বঙ্গমাতা বেগম মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা, প্রেরণা ও শক্তির উৎস। ঠিক তেমনি শেখ রেহানাও পর্দার অন্তরাল থেকে শক্তি ও সাহস জুগিয়ে যাচ্ছেন বড় বোন শেখ হাসিনাকে। বঙ্গবন্ধুর জীবনে বঙ্গমাতা যে ভূমিকা পালন করেছিলেন, শেখ রেহানাও সে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বড় বোন শেখ হাসিনার জীবনে। প্রচার বিমুখ শেখ রেহানা কখনো লাইম-লাইটে আসেন না।

শেখ রেহানার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠা কন্যা শেখ রেহানার ৬৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের মুখোশের আড়ালে ক্ষমতার জন্য দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করে না। যারা স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুদের সঙ্গে হাত মেলায়, তারা কখনো সার্বভৌমত্বের রক্ষক হতে পারে না।

বিএনপি নেতাদের সীমান্ত নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা ভুলে গেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে শেখ হাসিনার হাত ধরেই। বিএনপি ভারত বিরোধিতা করে মুখে ফেনা তুললেও তাদের সঙ্গে নতজানু অবস্থান নিয়েছিল, যা বিএনপির সময়কালে দেশবাসী দেখেছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সাহসিকতা ও কূটনৈতিক দক্ষতায় বহু বছরের পুরনো ছিটমহল বিনিময় এবং সীমান্ত সমস্যা আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বিএনপি তাদের শাসনামলে কোনো সমস্যার সমাধান তো করতে পারেইনি, বরং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে অবিশ্বাস আর আস্থাহীনতার দেয়াল তুলেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, আওয়ামী লীগের হাতেই এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। ভারত সরকার কথা দিয়েছে, সীমান্তে আর হত্যাকাণ্ড ঘটবে না। ভারত সরকার এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/জেডআর/এইচএন