বাংলাদেশের বোলিং তোপে শুরুতেই নেই অজিদের ৩ উইকেট

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

বাংলাদেশের বোলিং তোপে শুরুতেই নেই অজিদের ৩ উইকেট

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:১৩ ৩ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ২০:১৬ ৩ আগস্ট ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-২০তে বাংলাদেশের মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া। টাইগারদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়েছে অজিরা। 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ২১ রান।

প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণ টি-২০তে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩১ রান করেছে টাইগাররা।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে রান তাড়া করতে নামেন অ্যালেক্স ক্যারি ও জশ ফিলিপ। ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যারিকে বোল্ড করে ডায়মন্ড ডাকের স্বাদ দেন মাহেদী হাসান। পরের ওভারে ৯ রান করা ফিলিপকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন নাসুম আহমেদ। 

বিপাকে পড়া অস্ট্রেলিয়াকে আরো চেপে ধরেন সাকিব আল হাসান। নিজের করা প্রথম বলেই ময়জেস হেনরিক্সকে বোল্ড করেন তিনি। মিচেল মার্শ ও ম্যাথু ওয়েড এখন দলের হাল ধরার চেষ্টা করছেন। 

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ নাইম ও সৌম্য সরকার। 

মিচেল স্টার্কের করা প্রথম ওভারে একটি ছক্কা হাঁকালেও বাকি বলগুলো ঠিকভাবে ব্যাটেই লাগাতে পারেননি নাইম। অন্যপ্রান্তে হ্যাজেলউডের বলে বেশ ভুগছিলেন সৌম্য। তবে প্রথম তিন ওভারে দলকে কোনো উইকেট হারাতে দেননি তারা।

কিন্তু চতুর্থ ওভারে এসেই ছন্দপতন। জশ হ্যাজেলউডের করা ডেলিভারি পেছনে কাট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন সৌম্য। এর আগে করেন ৯ বলে ২ রান। 

অ্যাডাম জাম্পার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ৩০ রানে বোল্ড হন নাইম শেখ। রানের দিক থেকে ইনিংস বড় হলেও তার অ্যাপ্রোচ ছিল জঘন্য। ৩০ রানের মাঝে ২০ রানই চার-ছয় থেকে করেছেন তিনি। বাকি ১০ রান করতে খেলেছেন ২৫ বল, যা টি-২০র যুগে বড্ড বেমানান। এমনকি তার আউট হওয়ার ধরণও ছিল দৃষ্টিকটু।

নাইমের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন সাকিব ও রিয়াদ। তবে রান তুলতে গিয়ে রিয়াদ অনেক বেশি ধীর খেলতে থাকেন। পরে বল আর রানের ব্যবধান কমাতে গিয়ে হ্যাজলউডের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। টাইগার অধিনায়ক ২০ বলে ২০ রান করেন। 

এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়া করতে থাকেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন সাকিব। এছাড়া নুরুল হাসান সোহান ৩, শামীম পাটোয়ারী ৪ রানে আউট হন। 

শেষ দিকে আফিফ হোসেনের ২৩ রানের ক্যামিওতে মধ্যম মানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাই তিন উইকেট নেন জশ হ্যাজেলউড। এছাড়া মিচেল স্টার্ক দুটি এবং অ্যান্ড্রু টাই ও অ্যাডাম জাম্পা একটি করে উইকেট নেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল