১২ মিনিটের ঝড়ে কোপা দেলরের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

১২ মিনিটের ঝড়ে কোপা দেলরের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৪:৫৬ ১৮ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১২:২৩ ১৮ এপ্রিল ২০২১

কোপা দেল রে শিরোপা উদযাপনে বার্সেলোনা -ছবি: ইন্টারনেট

কোপা দেল রে শিরোপা উদযাপনে বার্সেলোনা -ছবি: ইন্টারনেট

একের পর এক আক্রমণ করেও গোল পাচ্ছিল না বার্সেলোনা। বারবারই সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছিল। কিন্তু বিরতির পর মেতে উঠল গোল উৎসবে। মাত্র ১২ মিনিটের ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে বিলবাও। আর মৌসুমের প্রথম ট্রফি জিতে নিয়েছে রোনাল্ড কোমানের দল। এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লিওনেল মেসির।

শনিবার ফাইনালে মেসির জোড়া গোল, সঙ্গে ডি ইয়ং ও আঁতোয়া গ্রিজমানের স্ট্রাইকে কোপা দেল রের ফাইনালে বিলবাওকে ৪-০ ব্যবধানে হারায় বার্সা। এটি তাদের ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা জয়।

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে সতীর্থের উঁচু করে বাড়ানো বল অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ডি-বক্সে ধরে ফ্রেংকি ডি ইয়ংকে ব্যাকপাস করেন মেসি। কিন্তু ডাচ এই মিডফিল্ডারের কোনাকুনি শট বাধা পায় পোস্টে। পাঁচ মিনিট পর অধিনায়কের রক্ষণচেরা পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়েও শট না নিয়ে ব্যাকপাস করেন গ্রিজমান।

প্রথম ২৫ মিনিটে ৮৫ শতাংশের বেশি সময় বল দখলে রেখে গোলের উদ্দেশ্যে ছয়টি শট নেয় বার্সেলোনা, যার একটি লক্ষ্যে। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য করে তারা, কিন্তু ছিল না শুরুর ধার।

পরের ২০ মিনিটে আর কোনো শটই নিতে পারেনি তারা। বিরতির আগে অধিকাংশ সময় রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত বিলবাও দু-একবার পাল্টা আক্রমণে কখনোই তেমন সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি।

বিরতির পর অবশ্য আক্রমণ অব্যাহত রেখে বার্সেলোনা সাফল্য পেতে শুরু করে। তবে ৪৭ মিনিটে দেস্টের ক্রস থেকে গ্রিজম্যান লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এরপরে পেদ্রি ও বুসকেটসের শটও গোলকিপার সিমন রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন। তবে ৬০ থেকে ৭২ মিনিট পর্যন্ত বার্সেলোনা যেন বুলডোজার চালিয়েছে। রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে। এই ১২ মিনিটে গোল এসেছে চারটি।

৬০ মিনিটে ডি ইয়ংয়ের ক্রসে গ্রিজম্যান বা পায়ে প্লেসিং করে দেন। ৬২ মিনিটে এবার ইয়ং নিজেই গোল পেলেন। জর্ডি আলবার লবে ডি ইয়ং নিচু হেডে ২-০ করেন। ৬৮ ও ৭২ মিনিটে লিওনেল মেসি গোল পেলেন। প্রথমটি বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডার ও গোলকিপারের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ান মেসি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/আরএস