অলিম্পিকের মত বড় আসরেও আমরা পদক অর্জন করবো: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস - ২০২০

অলিম্পিকের মত বড় আসরেও আমরা পদক অর্জন করবো: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৩৩ ১০ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ২১:৪৯ ১০ এপ্রিল ২০২১

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমস ২০২০। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রীড়ার মান বিকাশের লক্ষ্যে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরী করাই ছিল এ গেমসের অন্যতম লক্ষ্য ও প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যতে অলিম্পিকের মত বড় আসরেও দেশের ক্রীড়াবিদরা পদক অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। 

গেমসের সমাপনী দিনের বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের আসরে অলিম্পিক, নন-অলিম্পিকসহ বিওএ অনুমোদিত ৩১টি জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন/এসোসিয়েশনের আনুমানিক ৫০০০-এর অধিক ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করে। করোনা মহামারীর মধ্যে আয়োজিত এ গেমসটিতে বেশ কয়েকটি খেলায় নতুন জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে,যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের খেলোয়াড়েরা সকল প্রতিকূলতার মাঝেও তাদের প্রশিক্ষন কার্যক্রম অব্যাহত রেখে গেমসে সর্বোচ্চ নৈপুণ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের এই অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফেডারেশন,সংস্থা এবং প্রশিক্ষকদের আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের এই অনন্য প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে আমাদের আরো বড় অর্জনের সম্ভাবনার আশা উন্মোচন করেছে। সেই দিন বেশি দূরে নেই যেদিন আমরা অলিম্পিকের মত বড় ক্রীড়া আসরেও পদক অর্জন করতে সক্ষম হব।

জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত এ জাতীয় ক্রীড়ানুষ্ঠানের সাংগঠনিক কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গন সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। ‘বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস’ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সহযোগিতা প্রদান করেছেন। অর্থমন্ত্রী শুধু অর্থই বরাদ্দই করেননি, সময়, শ্রম ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। এ জন্য তাদের জানাই আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। 

তিনি যোগ করেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলার মানোন্নয়নে ও উৎকর্ষ সাধনে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। খেলাধুলার জন্য মাঠ, স্টেডিয়াম নির্মানের সঙ্গে অন্যান্য অবকাঠামোও গড়ে তোলা হয়েছে সরকারী উদ্যোগে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ‘বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস-২০২০’-এর সফল আয়োজন বিভিন্ন খেলায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় নির্বাচন করতে সমর্থ হয়েছে যা অদূর ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভাল ফলাফল অর্জন করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। বর্তমান সরকার ক্রীড়া উন্নয়ন ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে লুকায়িত ও সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও সঠিক পরিচর্যার প্রতি যত্নশীল। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় খেলাধুলা চর্চার অবকাঠামোগত সুবিধা ও খেলোয়াড়দের নিবিড় প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করতে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

পরিশেষে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, আমি ‘বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস্-২০২০’-এর সকল খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সর্বস্তরের সংগঠক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়ামোদী দর্শক ও পৃষ্ঠপোষক সংস্থাসমূহকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে  ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে বাংলাদেশ গেমস আয়োজিত হবে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস/এএল