বেতন কমছে লা লিগার ক্লাব গুলোর

ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

বেতন কমছে লা লিগার ক্লাব গুলোর

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৩৮ ৩ মার্চ ২০২১  

লা লিগা

লা লিগা

কোভিড-১৯ মহামারির শঙ্কা কাটিয়ে নতুন আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে লা লিগার পক্ষ থেকে ক্লাবগুলোর ওপর নতুন বেতন কাঠামো বেঁধে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী বার্সেলোনা ও এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের বেতন ৩৫ মিলিয়নের বেশী কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

বছরের দুটি ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবার পর এই বেতন কাঠামো প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ক্লাবগুলো খেলোয়াড়, কোচ, সাপোর্ট স্টাফ ও তাদের যুব দলের জন্য কত টাকা ব্যয় করবে তা বেঁধে দেয়া হয়।

গত ১২ মাস যাবত দর্শক মাঠে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় লিগ ও ক্লাবগুলো সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার প্রভাব ট্রান্সফার মার্কেটেও পড়েছে। 

পৃষ্ঠপোষকরাও অনেকাংশেই ক্লাবগুলোর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। করোনা মহামারিতে যে বিশাল আর্থিক ক্ষতি ক্লাবগুলোর হয়েছে তার থেকে বেরিয়ে আসা মোটেই সহজ নয়।

নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে বার্সেলোনা। এর ফলে তাদের ব্যয় অতিরিক্ত ৩৫.৭ মিলিয়ন ইউরো কমিয়ে ৩৪৭ মিলিয়নে নামিয়ে আনতে হবে। নতুন বাজেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে টেবিলের শীর্ষে থাকা এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ ৩৫.৪ মিলিয়ন ইউরো কমিয়ে ২১৭.৩ মিলিয়নে নামিয়ে আনতে হবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ লিগের ২০টি দলের তুলনায় সবচেয়ে বেশী বেতন দিয়ে থাকে খেলোয়াড়দের। 
এ খাতে তাদের ব্যয় প্রায় ৪৭৩.৩ মিলিয়ন ইউরো। নতুন বিধিনিষেধে তাদেরও নতুন করে চিন্তা করতে হচ্ছে। এদিকে আগামী মৌসুমকে সামনে রেখে গ্রানাডা, হুয়েসকা ও সেল্টা ভিগোর মত ক্লাবগুলোকে বিনিয়োগ ব্যয় বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

লা লিগা সভাপতি জেভিয়ার তেভেজ মহামারিতে ক্লাবগুলো যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে তার প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে প্রায় একবছর যাবত দর্শকবিহীন মাঠে যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নেয়া ক্লাবগুলোর জন্য দারুণ চ্যালেঞ্জিং ছিল। 

এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্প্যানিশ ক্লাবগুলোর জন্য একটি পরীক্ষা ছিল। তবে তারপরেও আমরা বেশ কিছু ইতিবাচক সমাধানে পৌঁছাতে পেরেছি। ২ বিলিয়ন ইউরো কম আয় সত্তেও ক্লাবগুলো বিশেষ করে বড় ক্লাবগুলো আর্থিক ক্ষতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেছে। এটা প্রমান করে যে স্প্যানিশ ফুটবল এখন বেশ সমৃদ্ধ। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সামর্থ্য তাদের আছে।

মহামারি কাটিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্লাবগুলো তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে বলে তেভেজ বিশ্বাস করেন। মৌসুম শেষ হবার আগেই সমর্থকদের স্টেডিয়ামে ফেরার আশাবাদও তিনি ব্যক্ত করেছেন। তবে তা এপ্রিলের আগে না, এমন ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন স্প্যানিশ বস।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস