সাকিবকন্যাকেও ছাড়লো না বিকৃত মস্তিষ্কধারীরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৪ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সাকিবকন্যাকেও ছাড়লো না বিকৃত মস্তিষ্কধারীরা

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৯ ২১ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ২০:৩২ ২১ আগস্ট ২০২০

আলাইনার সঙ্গে সাকিব আল হাসান

আলাইনার সঙ্গে সাকিব আল হাসান

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল তো বটেই, দেশের অন্যতম শীর্ষ তারকা সাকিব আল হাসান। তার প্রতি স্বাভাবিক কারণেই মানুষের আগ্রহ কিছুটা বেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফলোয়ার সংখ্যাও এ কারণে প্রচুর। সাকিবকে নিয়ে যেকোনো পোস্ট মানেই ইতিবাচক মন্তব্যের পাশাপাশি নেতিবাচক কমেন্টকারীদের দৌরাত্ম, যার সবশেষ শিকার হয়েছেন তার বড় মেয়ে আলাইনা। 

দেশের শীর্ষ তারকা হিসেবে সাকিবকে নিয়ে মানুষের চিন্তা যেনো একটু বেশিই দেখা যায়। কোনো ম্যাচে খারাপ করলে নেতিবাচক মন্তব্যের ছড়াছড়ি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতদিন অশিক্ষিত নেটিজেনদের দ্বিতীয় লক্ষ্যবস্তু ছিল তার স্ত্রী শিশির। সাকিব স্ত্রীর সঙ্গে যেকোনো ছবি পোস্ট করলেই দেখা যেতো বিশেষ এক ধরণের মানুষের উপস্থিতি যারা বিভিন্নভাবে শিশিরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করতো। 

সাকিবের বড় মেয়ে আলাইনাসম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজে সাকিবের বড় মেয়ে আলাইনার একটি ছবি পোস্ট করা হয়। কিছুদিন আগে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূর্যমুখী বাগানে ঘুরতে গিয়েছিলেন টাইগার অলরাউন্ডার। সেখানে আলাইনার একটি একক ছবি পোস্ট করেছিলেন টাইগার অলরাউন্ডার। মূলত এই ছবিই পোস্ট করা হয় সেই ফেসবুক পেজে। 

অনেকেই ভালো মন্তব্য করলেও মানুষরূপী কিছু বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তিরা যথারীতি এই স্বাভাবিক ছবিতেও নেতিবাচক মন্তব্য করে। সূর্যমুখী বাগান হলেও তারা সেটিকে পাটক্ষেত হিসেবে আখ্যা দেয়। গ্রামাঞ্চলে পাটক্ষেতকে অনৈতিক কাজের একটি জায়গা হিসেবে ধরা হয়। আলাইনাকে নিয়ে সেসব কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে মন্তব্য করতে থাকে সেসব বিকৃত মস্তিষ্কধারীরা। 

শাহ এম আব্দুল্লাহ নামের একজন মন্তব্য করে, ‘সব কিছু ঠিক আছে, কিন্তু মামা এই বয়সে মাইয়া টা পাটক্ষেতে কি করে? ’ নিউটন তরফদার নামের আরেকজন মন্তব্য করে ‘এখন থেকে পাটক্ষেতে কেন?’

কিছু নেতিবাচক মন্তব্যএমনই আরো অনেকে নেতিবাচক কমেন্ট করে। পরবর্তীতে অনেক নেটিজেনই বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সঙ্গত কারণে আর কোনো নেতিবাচক মন্তব্য উল্লেখ করা হলো না। 

আলাইনার মতো ফুটফুটে শিশুর ছবিতে এসব মন্তব্য দেখে অনেকেই এসব ব্যক্তিকে হিংস্র হায়েনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ বলেছেন এদের কারণেই শিশুরা ধর্ষণের শিকার হয়। অনেকেই এসব মন্তব্যকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি করেছেন। তবে এসব মানুষরূপী হিংস্র হায়েনাদের মন মানুষিকতার আদৌ পরিবর্তন হবে কি? 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল/এসআই/টিআরএইচ