মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছালো স্পেসএক্স ড্রাগন

ঢাকা, রোববার   ০৯ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৬ ১৪২৮,   ২৬ রমজান ১৪৪২

মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছালো স্পেসএক্স ড্রাগন

‌বিজ্ঞান ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:৪৭ ২৬ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ০০:১৯ ২৭ এপ্রিল ২০২১

স্পেসএক্স-এর তৈরি ‘ক্রু ড্রাগন` মহাকাশযানে নভোচারীরা; ছবিঃ সংগৃহীত

স্পেসএক্স-এর তৈরি ‘ক্রু ড্রাগন` মহাকাশযানে নভোচারীরা; ছবিঃ সংগৃহীত

ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪২২ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র, আইএসএস-এ পৌঁছেছেন তিন দেশের বার নভোচারী। ইলন মাস্কের কোম্পানী স্পেসএক্স-এর তৈরি ‘ক্রু ড্রাগন' মহাকাশযানে করে তারা আইএসএস-এ পৌঁছেন।

শনিবার সকালে গিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভিড়েছে স্পেসএক্সের ক্রুড্রাগন। এরা সেখানে ছয় মাস থাকবেন।

এর আগে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকালে ফ্লোরিডার মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে একটি স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন মহাকাশযানে করে তারা পৃথিবী ছেড়ে যায়।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চারজনের মধ্যে দুইজন মার্কিন নভোচারী ও নাসার বিজ্ঞানী শেন কিম্ব্রো এবং মেগান ম্যাক আর্থার, ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সি থেকে ফ্রান্সের নভোচারী থমাস পেসকুইট এবং জাপানের আকিহিকো হোশিনো।

ক্রু- ২ নামের এই মিশনটি স্পেসএক্সর তৃতীয় মানববাহী অভিযান এবং এই প্রথমবার এতে রকেট বুস্টার এবং স্পেসস্ক্র্যাফটের পুনর্ব্যবহার হলো। মার্কিন মহাকাশ অভিযানের খরচ অনেকটা কমিয়ে এনেছে এই প্রযুক্তি।

এই অভিযানের অন্যতম ফোকাস হবে ‘টিস্যু চিপস’ বা মানব অঙ্গের এমন মডেল যেখানে বিভিন্ন ধরনের কোষ থাকে এবং যারা মানবদেহে থাকা অবস্থায় যে আচরণ করে সেটিই বজায় রাখে। নাসা আশা করছে এই গবেষণা থেকে পাওয়া জ্ঞান বিভিন্ন ওষুধ এবং টিকা তৈরিতে কাজে আসবে। এই গবেষণাকে মহাকাশ কেন্দ্রে হয়ে আসা জীববিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ে দীর্ঘ দিনের গবেষণার ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করেছে নাসা।

স্পেসএক্স-এর তৈরি ক্রু ড্রাগন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইএসএস-এ ডক করতে পারে৷ এছাড়া এটি চালাতেও নভোচারীদের খুব বেশি সক্রিয়তার প্রয়োজন হয় না৷

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে/এমআর