পারসিভারেন্সের ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ ভিডিওতে শোনা গেল মঙ্গলের শব্দ

ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭,   ১৩ রজব ১৪৪২

পারসিভারেন্সের ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ ভিডিওতে শোনা গেল মঙ্গলের শব্দ

বিজ্ঞান ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৭ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৭:৩০ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

পারসিভারেন্স মঙ্গলের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে শুরু করেছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

পারসিভারেন্স মঙ্গলের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে শুরু করেছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

মঙ্গলের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে শুরু করেছে পারসিভারেন্স। অত্যাধুনিক যন্ত্রটি লালগ্রহে প্রাণের সন্ধান চালাচ্ছে। এর মধ্যেই পারসিভেরেন্সের পাঠানো একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

গত বৃহস্পতিবার নাসার নতুন রোভার পারসিভারেন্সের ধারণ করা এক ভিডিওতে রোভারটি কীভাবে মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করেছে তা দেখা গেছে। ছবি ছাড়াও একটি ক্লিপে মঙ্গলের শব্দও রয়েছে।

জানা গেছে, পারসিভারেন্সের দুটি মাইক ওই শব্দ রেকর্ড করেছে। খুব হালকা হাওয়ার শব্দ রয়েছে ওই সাউন্ড ক্লিপে। তবে ল্যান্ডিং করার সময় মহাকাশযানের মাইক কাজ করেনি। ফলে ল্যান্ডিংয়ের সময় কোনো শব্দ রেকর্ড করা যায়নি।

আরও পড়ুন: মঙ্গলের মাটিতে সফল অবতরণ করলো ‘পারসিভারেন্স’, উল্লাসে মাতলেন বিজ্ঞানীরা

মঙ্গলপৃষ্ঠে পারসিভারেন্সের অবতরণের শেষ সময়কে ‘শ্বাসরুদ্ধকর সাত মিনিট’ উল্লেখ করেছে নাসা। রোভারটি মার্শিয়ান বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের ২৩০ সেকেন্ড পরে ভিডিও শুরু হয়। রোভার থেকে একটি প্যারাসুট মার্শিয়ান পৃষ্ঠের সাত মাইল উপর থেকে নিচে অবতরণ করে।

নাসার দাবি রোভার পারসিভারেন্স এখনও পর্যন্ত নাসার তৈরি সবচেয়ে আধুনিক মহাকাশযান। মঙ্গলে মূলত জল এবং প্রাণের সন্ধান চালাবে এই যানটি। এছাড়া এই প্রথম মহাকাশে হেলিকপ্টার পাঠালো নাসা। মঙ্গলের আকাশে ঘুরপাক খাবে হেলিকপ্টারটি। আকাশ থেকে মঙ্গলের ছবি সংগ্রহ করবে হেলিকপ্টারটি।

আরও পড়ুন: কী আছে মঙ্গলে যার কারণে এত অভিযান?

মঙ্গলের অন্যতম মারাত্মক দুর্গম অঞ্চলে জেজেরো ক্র্যাটারে রয়েছে পারসিভারেন্স। এখানে রয়েছে গভীর উপত্যকা, সুউচ্চ পাহাড়, বালির টিলা এবং প্রচুর উঁচু-নিচু পাথর, যা জায়গাটিকে অসমান করে তুলেছে। তাই এই এলাকায় আদৈ রোভার নামতে কতটা সক্ষম হয়, সেদিকে নজর ছিল সবার। মনে করা হয় একসময় এখানে নদী প্রবাহিত হতো। পরে সেটি হয়তো হ্রদে পরিণত হয়।

‘মার্স ২০২০’ প্রকল্পের অন্যতম বিজ্ঞানী কেন উইলিফোর্ড বলেন, জীবনের চিহ্ন খোঁজার জন্য সবচেয়ে আদর্শ জায়গা হচ্ছে জেজেরো হ্রদ। আমি এমনটাই মনে করি। এর উপকূল কার্বন এবং নানা খনিজ পদার্থের সন্ধান মিলেছে। তাই এখানে জীবাশ্ম থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে নাসা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মঙ্গলের বুকে আরও চারটি রোভার পাঠায়। যার প্রত্যেকটাই সফলভাবে মঙ্গলের বুকে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে